Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘প্রেমিকা’র বাড়ির সামনে আত্মঘাতী যুবকের দেহ রেখে বিক্ষোভ পরিবারের

‘প্রেমিকা’র বাড়ির সামনে আত্মঘাতী যুবকের দেহ রেখে বিক্ষোভ পরিবারের
  • ১৭ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: নতুন বছরের প্রথম দিন, মঙ্গলবার নিজের বাড়িতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হন কলেজপড়ুয়া সায়ক চক্রবর্তী। অশোকনগর পুরসভার দেবীনগর এলাকার ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। আত্মঘাতী যুবকের পরিবারের অভিযোগ, প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণেই আত্মহত্যা করেছেন সায়ক। তাঁরা থানায় গিয়ে প্রেমিকার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগও করেন। তবে এখানেই থেমে না থেকে বুধবার সন্ধ্যায় যুবকের মৃতদেহ প্রেমিকার বাড়ির সামনে রেখে বিক্ষোভ দেখালেন তাঁর পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের একাংশ। পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। 

Advertisement

ময়নাতদন্তের পর এদিনই সায়কের দেহ হাতে পান তাঁর বাড়ির লোকজন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অ্যাকাউন্টেন্সির তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া সায়ক মেধাবী হিসেবেই এলাকায় পরিচিত ছিলেন। তাঁর সঙ্গে এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। মৃতের বউদি তানিয়া চক্রবর্তী বলেন, ‘সায়কের সঙ্গে ওর এক বান্ধবীর প্রেম ছিল। সম্প্রতি কোনও কারণে সম্পর্কে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ করেছি। কিন্তু ২৪ ঘন্টা হয়ে গেল, পুলিস কোনও ব্যবস্থা নিতে পারল না। তাই ময়নাতদন্তের পর দেহ ওই মেয়েটির বাড়ির সামনে রেখে বিক্ষোভ করেছি।’ পুলিস অবশ্য জানিয়েছে, আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রমাণ প্রয়োজন। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মালবিকা দাসের কথায়, ‘সায়ক অত্যন্ত ভালো ছেলে ছিল। সবসময় ওকে হাসিখুশিই দেখতাম। ওই প্রেমিকার জন্যই আজকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হল ওকে। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট দেখেই আমাদের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। আশা করি, পুলিসও বুঝতে পেরেছে।’ তাঁর আরও দাবি, সায়ক ছাড়াও একাধিক যুবকের সঙ্গে ওই তরুণীর সম্পর্ক ছিল। অভিযুক্ত তরুণীর কঠোর শাস্তি দাবি করেন তিনি। মৃতের দাদা সুমিত চক্রবর্তী বলেন, ‘ওই যুবতীর পরিবারের সদস্যরা বাড়িতেই আছে সবাই। আমার ভাইয়ের মৃত্যুর জাস্টিস চাই। পুলিস আমাদের আশ্বস্ত করেছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ