Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গ্রেপ্তার ফলতার 'পুষ্পা' জাহাঙ্গির খান

ফলতার পুষ্পা জাহাঙ্গির খান ভারত নেপাল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার। কলকাতায় নিয়ে আসার প্রস্তুতি চলছে। বিস্তারিত পড়ুন।

গ্রেপ্তার ফলতার 'পুষ্পা' জাহাঙ্গির খান
  • ৮ জুন, ২০২৬ ১১:১৬
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অবশেষে গ্রেপ্তার ফলতার পুষ্পা জাহাঙ্গির খান। ভারত নেপাল সীমান্ত এলাকা থেকে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স তাকে গ্রেপ্তার করে। সোমবারই তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসার প্রস্তুতি চলছে।

Advertisement

তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন জাহাঙ্গির। তবে গোপন সূত্রে সেই তথ্য পেয়ে যায় এসটিএফ। এরপরই অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সূত্রে আরও জানা যায় নেপালে পাকাপাকি ভাবে বসবাস করার প্ল্যান ছিল জাহাঙ্গীরের। এমনকী বাচ্চাদের স্কুলে ভর্তির ফর্মও তুলে ফেলেন। সঙ্গে অন্য ব্যবস্থাও করে ফেলেছিলেন জাহাঙ্গির।

রাজ্যে  পালাবদলের পর থেকেই কার্যত চাপে পড়ে যান ফলতার তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা জাহাঙ্গির। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, গণরোষের আশঙ্কায় তাঁকে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে হয়। পরে পুলিশের নিরাপত্তায় বাড়িতে ফিরলেও জনসমক্ষে আর দেখা যায়নি তাঁকে। পুনর্নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও প্রচারেও অংশ নেননি তিনি। একই সময়ে এলাকার বহু তৃণমূল নেতাকর্মীও বেপাত্তা হয়ে যান। পরে ফলতায় শতাধিক তৃণমূল কর্মী-সমর্থককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি, দীর্ঘদিন ধরে জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে ওঠা নানা অত্যাচারের অভিযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষও প্রকাশ্যে মুখ খুলতে শুরু করেন। প্রথমদিকে অভিযোগ গ্রহণে অনীহা থাকলেও পরে পুলিশ সেগুলি নথিভুক্ত করতে শুরু করে।

 জাহাঙ্গিরের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে পুলিশ জানতে পারে, ২৬ মে গভীর রাতে দু’টি ভাড়া গাড়ি নিয়ে জাহাঙ্গির ও তাঁর ছেলে কলকাতার দিকে চলে গিয়েছেন।  জাহাঙ্গিরের বাড়ি ছাড়াও কয়েকজন আত্মীয়ের উপর গোপনে নজরদারি চালিয়েছিল পুলিশ। এর মধ্যে জাহাঙ্গিরের ‘ডানহাত’ বলে পরিচিত ভায়রাভাই সাইদুল খান এবং বঙ্গনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ইসরাফিলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বেহালা, ঠাকুরপুকুর থেকে রাজারহাট, নিউটাউন, সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে যেখানে জাহাঙ্গির নামে-বেনামে ফ্ল্যাট ও সম্পত্তি, রিসর্ট কিনে রেখেছিল, সে সব জায়গায় অভিযান চালাতে থাকে এসটিএফ।  অবশেষে আজ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এসটিএফ তাঁকে হাতে নাতে ধরে ফেলে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ