নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আগামী সোমবার শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায়। এই পর্বে বিভিন্ন মন্ত্রকের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হবে। পাশ হবে বাজেট। এই পর্বে ডুপ্লিকেট এপিক ইস্যুতে তৃণমূল সংসদে সোচ্চার হবে বলেই ঠিক করেছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা স্পষ্ট করাতেও চাপ দেওয়া হবে। বিরোধী দলগুলিকে একাট্টাও করা হচ্ছে। ভুয়ো ভোটার কার্ডের বিষয়টি মোটেই ফেলে দেওয়ার নয় বলেই বিরোধীদের দাবি। কংগ্রেসও এ ব্যাপারে সরব হয়েছে। মহারাষ্ট্রে বিধানসভা ভোটে মহাবিকাশ অঘাড়ির হার মোটে মেনে নিচ্ছে পারছে না কংগ্রেস। প্রাপ্তবয়ষ্ক নাগরিকের চেয়ে চমকপ্রদভাবে ভোটার সংখ্যা বেশি বলেই সম্প্রতি নয়াদিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে সরব হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী।
এবারের পর্বে বিভিন্ন মন্ত্রকের বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হবে। আর এই আলোচনায় সর্বাগ্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নিয়ে আলোচনার দাবিতে সরব তৃণমূল। অন্য বিরোধীরাও এ ব্যাপারে সহমত বলেই তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নিয়ে আগে আলোচনা করতে হবে। তারপর শিক্ষা, রেল এবং স্বাস্থ্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদকে অবহেলা, গুরুত্বহীন বলে মনে করেন বলে অভিযোগ তৃণমূলের।
নরেন্দ্র মোদি তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর এখনও পর্যন্ত সংসদের তিনটি অধিবেশন হয়ে গিয়েছে। কিন্তু পাশ হয়েছে মাত্র চারটি বিল। যা ৭৫ বছরের স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বলেই এদিন খোঁচা দিয়েছেন ডেরেক। রাজ্যসভায় আলোচনা ছাড়াই ৪৫ হাজার কোটি টাকার সাপ্লিমেন্টারি ডিমান্ডস ফর গ্রান্টস পাশ কেন হয়েছে, প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বলেছেন, উল্লেখিত বিষয়ে রাজ্যসভায় আলোচনার জন্য পাঁচ ঘণ্টা সময় বরাদ্দ হয়েছিল। কিন্তু আলোচনাই হয়নি। তাই ফের আসন্ন অধিবেশনের আগে সরকারকে সতর্ক করছি।