সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: পুষ্টিগুণে ভরপুর মিলেটের ওপর একদিনের মেলার আয়োজন করে সচেতনতা বৃদ্ধি করল জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের উদ্যোগে বুনিয়াদপুর শহরের সুকান্ত ভবনে একদিনের মিলেট মেলা বসে। সেখানে গঙ্গারামপুর মহকুমার স্কুল-কলেজের পড়ুয়াদের নিয়ে অঙ্কন এবং কুইজ প্রতিযোগিতা হয়। বিষয় ছিল মিলেটের ওপরেই। মিলেট চাষ করলে বর্তমানে চাষিরা লাভবান হবে এই প্রেক্ষাপটে দুটি নাটক মঞ্চস্থ করেন নার্সিং ট্রেনিং কলেজের পড়ুয়ারা। এছাড়াও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা ও স্বনির্ভর দলের মহিলারা জোয়ার, বাজরা ও রাগি খাদ্যশস্য দিয়ে কিভাবে বাড়িতে বিভিন্ন পদের রান্না করা যায়, তার বিভিন্ন পদ নিয়ে স্টলে বসেন। মিলেটের খিচুড়ি, পিঠে, পুলি, কেক, পোলাও, বিভিন্ন ধরণের সুস্বাদু ব্যাঞ্জন তৈরি করেন তাঁরা। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের দু’জন মিলেট চাষি এবং একজন মিলেট বিক্রেতাকে পুরস্কৃত করে। জেলায় দ্বিতীয় বর্ষে মিলেট মেলার উদ্বোধন করেন মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র ও জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস। কেন খাদ্য তালিকায় মিলেট রাখা প্রয়োজন, তা সাধারণ মানুষকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকরা। গর্ভবতী এবং যাঁরা সদ্যজাতকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন তাঁদের প্রচুর পরমিাণে মিলেট খাওয়া উচিত। মিলেট কম গ্লাইসমেকি যুক্ত খাদ্য। যা ব্লাড সুগার ঠিক রাখে। মিলেটে ক্যালোরি কম, তাই খাদ্যতালকিায় ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য আর্দশ। এনার্জির উৎস ও অতিরিক্ত খিদে কমায়। পেট ভর্তি থাকে অনেকক্ষণ। ফলে অপ্রয়োজনীয় ভাজাভুজি খাওয়ার ঝুঁকিও কমায়। কোলস্টেরেল নিয়ন্ত্রণ করে।



