Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ফেস রেকগনিশন বায়োমেট্রিক বাধ্যতামূলক, সরকারি দপ্তরে হাজিরায় কড়া অবস্থান রাজ্যের

রাজ্য সরকারের নতুন নির্দেশিকায় সরকারি অফিসে ফেস রেকগনিশন বায়োমেট্রিক হাজিরা বাধ্যতামূলক। নিয়ম না মানলে চিহ্নিত হবে অনুপস্থিত। বিস্তারিত পড়ুন।

ফেস রেকগনিশন বায়োমেট্রিক বাধ্যতামূলক, সরকারি দপ্তরে হাজিরায় কড়া অবস্থান রাজ্যের
  • ৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারি কর্মী ও আধিকারিকদের অফিসে আসা-যাওয়ার সময় নিয়ে কড়া অবস্থান নিল রাজ্য সরকার। এই ব্যাপারে বুধবার অর্থদপ্তর এক নির্দেশিকা জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে ‘ফেস রেকগনিশন বায়োমেট্রিক’ ব্যবস্থার মাধ্যমে অফিসে আসা এবং ছুটির পর চলে যাওয়ার সময় নথিভুক্ত করতে হবে। ওইসঙ্গে রয়েছে একগুচ্ছ নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ। এই নিয়ম না-মানলে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে ‘অনুপস্থিত’ হিসাবে চিহ্নিত করা হবে। বলা হয়েছে, প্রয়োজনে অফিসের নির্ধারিত সময়ের পরেও কাজ করতে হবে। 

Advertisement

প্রথম পর্যায়ে ১৫ জুন থেকে নবান্নের সব অফিসে এটা কার্যকর হবে। রাজ্য সরকারের অন্য অফিসগুলিতে চালু হবে পর্যায়ক্রমে, তবে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে। প্রধান সচিব ছাড়া সমস্ত অফিসার ও কর্মী এই ব্যবস্থার আওতায় থাকবেন। প্রসঙ্গত, নবান্নে বায়োমেট্রিক হাজিরার ইলেকট্রনিক যন্ত্র আগেই বসেছে। এটি আছে আরো একাধিক সচিবালয়ে। এবার সব সচিবালয়, ডিরেক্টরেট ও রিজিওনাল অফিসে কার্যকর হবে। হাজিরা খাতায় কারচুপির সুযোগ এই ব্যবস্থায় একেবারে নেই। 
সরকারি অফিসে কাজে আসার সময় সকাল ১০টা। তবে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিটের একটি ‘গ্রেস পিরিয়ড’ থাকে। অর্থদপ্তরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে ১১টার মধ্যে এলে তা ‘লেট’ হিসাবে ধরা হবে। আর ১১টার পর এলে তা চিহ্নিত হবে ‘অনুপস্থিত’ হিসাবে এবং তার দরুন কাটা যাবে ‘ছুটি’। পাশাপাশি বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের আগে অফিস ছেড়ে গেলে তা ‘আগে প্রস্থান’ হিসাবে বিবেচিত হবে। একই দিনে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে অফিসে আসা (সকাল ১০টা ১৫ থেকে ১১টার মধ্যে) এবং আগে চলে যাওয়া চিহ্নিত হলেও তা ‘অনুপস্থিত’ হিসাবে ধরা হবে এবং একদিনের ছুটি কাটা যাবে। মাসে প্রতি তিনদিন দেরিতে প্রবেশ কিংবা আগাম প্রস্থানের জন্যও ‘ছুটি’ বাদ যাবে। 
যদি কোনো কর্মী অফিস আসা ও যাওয়া নির্দিষ্ট যন্ত্রে নথিভুক্ত না করেন তাহলে তাঁকে ‘অনুপস্থিত’ হিসেবে ধরা হবে। অফিসের কোনো কাজের জন্য দেরিতে আসা বা আগে চলে যাওয়ার ক্ষেত্রে অফিস প্রধান বিশেষ অনুমতি দেবেন। পাশপাশি সার্ভিস রুলের ১৫ নম্বর ধারার উল্লেখসহ এও জানানো হয়েছে যে, জরুরি প্রয়োজনে অফিসের নির্ধারিত সময়ের পরেও কর্মী ও আধিকারিকদের কাজ করতে হবে। অর্থদপ্তরের নির্দেশিকায় আরো বলা হয়েছে, কোনো কর্মী বা অফিসারের অফিসের সদর দপ্তরের থেকে ৮ কিমি দূরত্ব পর্যন্ত থাকার ক্ষেত্রে যে বিশেষ ছাড় আছে তা বজায় থাকবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ