Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নজরকাড়া ‘ব্যাটিং’ তৃণমূলের তিন তুর্কির

বেলেঘাটা, মানিকতলা, এন্টালি। উত্তর কলকাতার তিন কেন্দ্র। বেলেঘাটায় তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ, মানিকতলায় শ্রেয়া পান্ডে এবং এন্টালিতে সন্দীপন সাহা।

নজরকাড়া ‘ব্যাটিং’ তৃণমূলের তিন তুর্কির
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বেলেঘাটা, মানিকতলা, এন্টালি। উত্তর কলকাতার তিন কেন্দ্র। বেলেঘাটায় তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ, মানিকতলায় শ্রেয়া পান্ডে এবং এন্টালিতে সন্দীপন সাহা। রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পৃক্ত হলেও এই তিন কেন্দ্রের নির্বাচনে প্রথম বারের লড়াই তাঁদের। জয় নিয়ে প্রত্যয়ী তিনজনই। ফলে ভোটের দিনটি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করলেন তাঁরা। ভোর ৫টায় দিন শুরু করে বিকেল পর্যন্ত সর্বত্র ঘুরে নজর রাখলেন কোথাও ভোটারদের কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না। একই সঙ্গে মাঝে মধ্যেই দলীয় কর্মী থেকে শুরু করে বাসিন্দাদের সঙ্গে খোশ মেজাজে সময় কাটাতেও দেখা গেল কুণাল, শ্রেয়া, সন্দীপনকে। ফলে এদিনের ভোট ময়দানে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহুজনের মুখেই শোনা গেল তৃণমূলের এই তিন তুর্কির নজরকাড়া ব্যাটিংয়ের কথা।

Advertisement

মক পোল সংক্রান্ত মনিটরিং দিয়ে ইনিংস শুরু করেন কুণালবাবু। সকাল থেকেই আসতে থাকে একের পর এক ফোন। এসবের মাঝেই সকাল ১০টায় হরিনাথ দে রোডের কেন্দ্রীয় পার্টি অফিসে কিছুটা সময় কাটিয়ে বেরিয়ে পড়েন এলাকা পরিদর্শনে। ২৯, ৩০, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডসহ তাঁর কেন্দ্রের প্রতিটি বুথে পৌঁছে যান তিনি। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন ‘স্লো ভোটিংয়ের’ কথা। বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন বাহিনীর সঙ্গে। কুণালবাবু বলেন, ‘আসলে নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনাতেই গলদ রয়েছে। সেই কারণেই স্লো ভোটিং। মানুষকে ব্যাপক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।’ বিকেল ৩টে নাগাদ ব্রাহ্ম বালিকা শিক্ষালয়ে নিজের ভোট দেন কুণালবাবু।
এদিন সকাল ১১টায় বিদায়ী বিধায়ক মা সুপ্তি পান্ডেকে সঙ্গে নিয়ে ভবতারণ সরকার বিদ্যালয়ে ভোট দেন মানিকতলার তৃণমূল প্রার্থী। স্মৃতিতে উঠে আসে বাবা তথা এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক সাধন পান্ডের কথা। বাবার শেখানো পথেই এদিন বিধানসভা ঘুরে ভোট ময়দান মাতালেন শ্রেয়া।  
এন্টালির প্রার্থী সন্দীপন সাহা বিদায়ী বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার পুত্র। তিনি নিজেও কলকাতা পুরসভার ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার। ফলে হাতের তালুর মতোই চেনেন গোটা এলাকা। আর সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই একেবারে ঠান্ডা মাথায় সামলালেন এদিনের পরিস্থিতি। কামারডাঙার শ্রী হিন্দি বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতার বার্তা দিয়ে কার্যত বুঝিয়ে দিলেন, মানুষই তাঁর জয়ের পথ সুনিশ্চিত করে দিচ্ছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ