Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিজেপি শাসিত রাজস্থানে চরম অসহযোগিতা বাংলার পুলিশকে, অধরা অভিযুক্ত, খালি হাতে ফিরতে হল তদন্তকারীদের

বিজেপি শাসিত রাজস্থানে অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে অসহযোগিতার মুখে পড়তে হল কলকাতা পুলিশকে। আজমির শরিফ এলাকায় অভিযুক্ত লুকিয়ে রয়েছে জেনেও খালি হাতে ফিরতে হল উত্তর বন্দর থানাকে

বিজেপি শাসিত রাজস্থানে চরম অসহযোগিতা বাংলার  পুলিশকে, অধরা অভিযুক্ত, খালি হাতে ফিরতে হল তদন্তকারীদের
  • ৬ মার্চ, ২০২৬ ১১:০৩
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজেপি শাসিত রাজস্থানে অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে অসহযোগিতার মুখে পড়তে হল কলকাতা পুলিশকে। আজমির শরিফ এলাকায় অভিযুক্ত লুকিয়ে রয়েছে জেনেও খালি হাতে ফিরতে হল উত্তর বন্দর থানাকে। অভিযোগ, স্থানীয় থানা অজুহাত খাড়া করে উত্তর বন্দর থানার অফিসারদের স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কোনোরকম সাহায্য করতে পারবে না তারা। 

Advertisement

সিঁথি থানা এলাকায় অলংকার তৈরির কারখানার মালিকের কাছে রেডিমেড সোনার গয়না কিনত অভিযুক্ত করণ সোনি। রাজস্থানের আজমির শরিফে তার সোনার দোকান রয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতার বিভিন্ন সোনার দোকান থেকে গয়নার অর্ডার নিয়ে সরবরাহ করে থাকে। সিঁথির ওই কারখানা থেকে অলংকার নগদে নিয়ে যেত করণ। ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে করণ সিঁথির কারখানার মালিককে জানায়, তাকে ৭০০ গ্রাম সোনার গয়না করে দিতে হবে। সেইমতো তিনি সেটি তৈরি করে ফোন করেন অভিযুক্তকে। করণ জানায়, এবার তার পক্ষে আসা সম্ভব নয়। রাজস্থানে যাওয়ার তাড়া থাকায় এই অলংকার তাকে আর্মেনিয়ান ঘাটে ডেলিভারি করতে বলে। তার কথামতো কারখানার মালিক সেখানে সেগুলি ডেলিভারি করেন। রাজস্থানে ফিরে টাকা পাঠানোর কথা বলেন ব্যবসায়ী। কিন্তু টাকা পাঠাননি। টাকা না পেয়ে তিনি উত্তর বন্দর থানায় অভিযোগ করেন। তাতে উল্লেখ করা হয়, ৭০০ গ্রাম সোনার অলংকার নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে করণ সোনি নামে এক অভিযুক্ত। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে অভিযুক্ত করণ রাজস্থানের আজমির শরিফে রয়েছে। সেইমতো ফেব্রুয়ারির শেষে সেখানে যায় উত্তর বন্দর থানার তদন্তকারী টিমের অফিসাররা। আদালতের অর্ডারসহ এফআইআর কপি তাঁরা জমা দেন আজমির শরিফের স্থানীয় গঞ্জ থানায়। সেই সঙ্গে তার টাওয়ার লোকেশন বাড়িতে দেখাচ্ছে বলে জানান কলকাতা পুলিশের অফিসাররা। কিন্তু থানার পক্ষে জানিয়ে দেওয়া হয়, তাদের পক্ষে ওই এলাকায় যাওয়া সম্ভব নয়। অজুহাত হিসাবে প্রথমে পুলিশ ফোর্স কম থাকার কথা বলা হয়। পরে স্থানীয় থানা জানায়, ওই এলাকায় তল্লাশি চালানো খুব কঠিন। পুলিশের যাওয়া নিরাপদ নয়। নানা অজুহাত খাড়া করে উত্তর বন্দর থানার অফিসারদের তদন্তে অসহযোগিতা করা হয় বলে অভিযোগ। করণের বাড়িতে না পৌঁছনোয় তাকে ধরা সম্ভব হয়নি। কলকাতা পুলিশ সেখানে পৌঁছছে জানতে পেরে ডেরা পালটে ফেলে। রাজস্থান পুলিশের অসহযোগিতার কারণে শেষ পর্যন্ত খালি হাতে ফিরতে হয় কলকাতা পুলিশকে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ