সৌগত গঙ্গোপাধ্যায় কলকাতা
সৌগত গঙ্গোপাধ্যায় কলকাতা
প্রশ্ন: অবসরের পর জীবন কেমন কাটছেন? খেলাটাকে মিস করেন?
শ্রীজেশ: আমি হকি ছেড়েছি ঠিকই। কিন্তু এই খেলা তো আমায় ছাড়েনি। অবসরের কয়েকদিন পরই অনূর্ধ্ব-২১ দলের কোচের দায়িত্ব নিই। তাই জীবনে বিশেষ কিছু পরিবর্তন হয়নি। আগের রুটিনই চলছে। পার্থক্য একটাই, আগে নিজে খেলতাম। এখন অন্যদের খেলার পদ্ধতি বাতলে দিই।
প্রশ্ন: হকির দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে সম্প্রতি পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। পুরস্কার নেওয়ার মুহূর্তে অনুভূতি কীরকম ছিল?
শ্রীজেশ: ভেরি প্রাউড! মেজর ধ্যানচাঁদের পর দ্বিতীয় হকি খেলোয়াড় হিসেবে দেশ আমায় এই সম্মান দিয়েছে। আমার বিশ্বাস, আগামীতে আরও অনেক হকি খেলায়াড় এই তালিকায় নাম লেখাবে।
প্রশ্ন: দীর্ঘ কেরিয়ারে আপনি অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। ইস্ট বেঙ্গলের ভারত গৌরব সম্মান কতটা স্পেশাল?
শ্রীজেশ: খুবই। কারণ, এটা হকি ফ্যামিলি থেকে পাচ্ছি না। ইস্ট বেঙ্গল ফুটবলের জন্যই বিখ্যাত। অতীতে লেসলি ক্লডিয়াস, ধনরাজ পিল্লাই স্যার এই পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে একাসনে বসতে পেরে সত্যিই গর্বিত।
প্রশ্ন: কলকাতার ডার্বি খুবই বিখ্যাত। আগামী দিনে কখনও লাল-হলুদ গ্যালারিতে আপনাকে দেখতে পাওয়া যাবে কী?
শ্রীজেশ: হোয়াই নট! ভরা গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার মজাটাই আলাদা। সুযোগ পেলে অবশ্যই আসব। তাছাড়া কলকাতা আমার খুব প্রিয় শহর। কেরলের মতো এখানের মানুষও ফুটবলপাগল। বাংলার মানুষ মাছ খেতে ভালোবাসে। খেলা দেখতে এলে ইলিশ মাছও খাব।
প্রশ্ন: হকিতে ফেরা যাক। সম্প্রতি হরমনপ্রীতদের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট। কোথায় সমস্যা হচ্ছে?
শ্রীজেশ: দেখুন! দল খারাপ খেলছে না। আগামী বছর বিশ্বকাপ রয়েছে। তাই কোচ হয়তো বিভিন্ন কম্বিনেশন পরখ করছেন। তাতেই টিমের পারফরম্যান্স উপর-নীচ হয়েছে। আগামী দিনে দল ঠিক ছন্দে ফিরবে। আর আমি চাই, আগামী দিনে বাংলা থেকেও হকি প্লেয়ার উঠুক।