নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘শালকু দাওয়াই’ দিতে হবে এসএফআইকে। ইংরেজি দেওয়াল লিখনের বাংলা তর্জমা এটাই! যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল কমপ্লেইন্টস কমিটিতে (আইসিসি) ছাত্র প্রতিনিধি নেওয়ার জন্য নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়ে ডাকা বৈঠক ঘিরে ছাত্রদের বিরোধ খুনোখুনির হুমকি পর্যন্ত গড়াল। সোমবার বৈঠকের পরে এসএফআইয়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের লাশ ফেলে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছিল। এবার এসএফআই অনুগামীদের খুনের হুমকি দিয়ে দেওয়াল লিখনের অভিযোগ উঠল ছাত্র সংগঠন আরএসএফের বিরুদ্ধে। শালকু সরেন বা পার্থ বিশ্বাসের মতো মাওবাদীদের হাতে নিহত সিপিএম ও এসএফআই নেতাদের নাম উল্লেখ করে তাঁদের মতোই পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকার হুমকি দেওয়া হয়েছে এসএফআইকে।
Advertisement
২০১০ সালে গুলি করে খুন করা হয়েছিল সিপিএমের বেলপাহাড়ি জোনাল কমিটির সম্পাদক পার্থ বিশ্বাসকে। অভিযোগ ওঠে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে। তার ঠিক এক বছর আগে অপহরণের পর নৃশংসভাবে খুন করা হয় জঙ্গলমহলের সিপিএম নেতা শালকু সরেনকে। এক্ষেত্রেও মাওবাদী যোগের স্পষ্ট ইঙ্গিত মেলে। এই নৃশংস খুনের ঘটনাগুলি তুলে ধরেই এসএফআইকে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। তাপসী মালিকের ধর্ষণ ও মৃত্যুর ঘটনা সিপিএম তথা বামেদের এখনও তাড়িয়ে ফেরে। বামেদের ক্ষমতা হারানোর পিছনে বড় ভূমিকা ছিল ওই ঘটনার। তাই তাপসী মালিকের নামও ব্যবহার করা হয়েছে দেওয়াল লিখনে। ‘তাপসী মালিক বলছে ভাই, যাদবপুরে আইসিসি চাই! তাপসী মালিক বলছে বোন, যাদবপুরে হোক ইউনিয়ন’—এরকম সব স্লোগানে ভরে গিয়েছে ক্যাম্পাসের দেওয়াল। প্রসঙ্গত, ক্যাম্পাসে শ্লীলতাহানি, যৌন হেনস্তা বা ধর্ষণের মতো অভিযোগের তদন্তের দায়িত্বে থাকে আইসিসি। কর্তৃপক্ষ অভিযোগ পেলে এই কমিটির কাছেই তা পাঠায়।
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আইসিসি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কমিটি। সেখানে তিনটি ফ্যাকাল্টি থেকে মোট ছ’জন ছাত্র প্রতিনিধি থাকতে পারেন। তার জন্য ছাত্র নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হতেই ক্যাম্পাস যেভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা উদ্বেগের। পুরোদস্তুর ছাত্র নির্বাচন করতে গেলে আরও কী ঘটবে, তা ভেবেই আশঙ্কিত অনেকে। বাম এবং অতিবাম ছাত্র সংগঠনগুলির এই পেশী আস্ফালনে কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সাধারণ ছাত্রছাত্রীরাও নিরাপত্তা নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন। আরএসএফের সদস্য ইন্দ্রানুজ রায় বলেন, ‘শালকু সোরেনের বিষয়টি এসএফআই সহানুভূতি আদায়ের জন্য নিজেরাই লিখেছে। আর পার্থ বিশ্বাসের কথা লেখা হয়েছে বাম আমলে এসএফআইয়ের থ্রেট কালচার এবং তার পরিণতি মনে করাতে। অনেকেই তা জানে না। এসএফআই আইসিসি নিয়ে মিথ্যাচার চালিয়ে যে কোনও উপায়ে ভোটে জিততে চাইছে।’
এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে তাৎপর্যপূর্ণভাবে বলেন, ‘মিনি মাওবাদীদের হাত থেকে চেয়ারম্যান মাওকে এসএফআই-ই রক্ষা করবে। তথাকথিত মাওবাদীরা তৃণমূল এবং আরএসএসের মদতে থ্রেট কালচার শুরু করেছে ক্যাম্পাসে। এসএফআই আইসিসি নির্বাচনের জন্য লড়ছে। তাই শালকু সোরেন, পার্থ বিশ্বাসের মতো শহিদ নেতাদের নাম তুলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।’ এসএফআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগকে তিনি মাওবাদীদের সাজানো বলেই দাবি করেছেন।
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আইসিসি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কমিটি। সেখানে তিনটি ফ্যাকাল্টি থেকে মোট ছ’জন ছাত্র প্রতিনিধি থাকতে পারেন। তার জন্য ছাত্র নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হতেই ক্যাম্পাস যেভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা উদ্বেগের। পুরোদস্তুর ছাত্র নির্বাচন করতে গেলে আরও কী ঘটবে, তা ভেবেই আশঙ্কিত অনেকে। বাম এবং অতিবাম ছাত্র সংগঠনগুলির এই পেশী আস্ফালনে কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সাধারণ ছাত্রছাত্রীরাও নিরাপত্তা নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন। আরএসএফের সদস্য ইন্দ্রানুজ রায় বলেন, ‘শালকু সোরেনের বিষয়টি এসএফআই সহানুভূতি আদায়ের জন্য নিজেরাই লিখেছে। আর পার্থ বিশ্বাসের কথা লেখা হয়েছে বাম আমলে এসএফআইয়ের থ্রেট কালচার এবং তার পরিণতি মনে করাতে। অনেকেই তা জানে না। এসএফআই আইসিসি নিয়ে মিথ্যাচার চালিয়ে যে কোনও উপায়ে ভোটে জিততে চাইছে।’
এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে তাৎপর্যপূর্ণভাবে বলেন, ‘মিনি মাওবাদীদের হাত থেকে চেয়ারম্যান মাওকে এসএফআই-ই রক্ষা করবে। তথাকথিত মাওবাদীরা তৃণমূল এবং আরএসএসের মদতে থ্রেট কালচার শুরু করেছে ক্যাম্পাসে। এসএফআই আইসিসি নির্বাচনের জন্য লড়ছে। তাই শালকু সোরেন, পার্থ বিশ্বাসের মতো শহিদ নেতাদের নাম তুলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।’ এসএফআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগকে তিনি মাওবাদীদের সাজানো বলেই দাবি করেছেন।



