Bartaman Logo
২৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভাঙন শুরু, গঙ্গানদী থেকে মাত্র ৭০ মিটার দূরে কেশরপুর, ঘুম উড়েছে বাসিন্দাদের

গঙ্গা নদীর ভাঙন শুরু হয়েছে কেশরপুরে, আতঙ্কে স্থানীয়রা। মানিকচক ব্লকের প্রশাসন জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিচ্ছে। বিস্তারিত পড়ুন।

ভাঙন শুরু, গঙ্গানদী থেকে মাত্র ৭০ মিটার দূরে কেশরপুর, ঘুম উড়েছে বাসিন্দাদের
  • ২৩ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানিকচক: গঙ্গা নদীর জলস্তর বাড়তেই মানিকচক ব্লকের ভূতনির কেশরপুরে ভাঙন শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বহু এলাকা তলিয়ে গিয়েছে নদী গর্ভে। ফলে আতঙ্কে রাতের ঘুম উড়েছে কেশরপুরের বাসিন্দাদের। ভাঙনের খবর পেয়ে বুধবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন মানিকচক ব্লক ও মালদহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। তাঁরা জরুরি ভিত্তিতে কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন।

Advertisement

গত কয়েক বছরে ভাঙনের জেরে বিপর্যস্ত কেশরপুর গ্রাম। গত বছরে গিলেছে পার্শ্ববর্তী বসন্তটোলা ও কালুটনটোলা। প্রাথমিক বিদ্যালয়ও নদীগর্ভে চলে গিয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এবার পুরো কেশরপুর গ্রামও তলিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায়। বর্তমানে কেশরপুর গ্রাম থেকে নদীর দূরত্ব মেরে কেটে প্রায় ৫০-৭০ মিটার। বিগত বছরের ভাঙনের ফলে একেবারে বাঁধের ধারে এসে পৌঁছেছে গঙ্গা। 
এবছর কয়েক দিনের টানা বর্ষণে নদীর জলস্তর বেড়েছে। ফলে মঙ্গলবার সকাল থেকে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে এলাকায়। নদী তীরবর্তী প্রায় ৫০ মিটার চওড়া এলাকা মুহূর্তের মধ্যে ধসে পড়েছে গঙ্গা গর্ভে। যা দেখে ঘুম উড়েছে স্থানীয়দের। স্থানীয় বাসিন্দা গোবিন্দ মণ্ডল বলেন, বাঁধের ধারে রয়েছে গঙ্গা। বাঁধ ভাঙলেই কেশরপুর গ্রামের সঙ্গে ভুগতে হবে গোটা ভূতনিকে। জরুরি ভিত্তিতে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
বুধবার এলাকা পরিদর্শন করেছেন মানিকচকের বিডিও সৌরভ কুমার মণ্ডল ও সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা। পশ্চিম রতনপুরের ভাঙনের কাজও পরিদর্শন করেন আধিকারিকরা। 
কেশরপুরের পরিস্থিতির সত্যিই উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছেন বিজেপির মানিকচক ২ মণ্ডল সভাপতি সুভাষ যাদব। তাঁর দাবি, জরুরি ভিত্তিতে কাজ  করা দরকার। কিছু বস্তার কাজ করা হলেও তা যথেষ্ট নয়। বিষয়টি বিধায়ক গৌরচন্দ্র মণ্ডলকে জানিয়েছি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ