নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অতিসম্প্রতি পিএফের সুবিধা দেওয়ার জন্য বেতনের ঊর্ধ্বসীমা ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকদের পেনশনও বাড়বে। কিন্তু পিএফের আওতায় থেকে যাঁরা ইতিমধ্যেই পেনশন পাচ্ছেন, তার বৃদ্ধি নিয়ে অনড় মনোভাব দেখিয়েই চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একাধিক কমিটি পেনশন বৃদ্ধির পক্ষে সওয়াল করলেও তোয়াক্কা করেনি অর্থমন্ত্রক। বিরোধীরা তো বটেই, বিজেপি সাংসদদের একাংশ এনিয়ে প্রতিবাদে সরব হলেও আমল দেয়নি কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একাধিকবার পেনশন বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিলেও তা কার্যকর হয়নি। দিল্লিতে বারবার ধর্ণার পরও নিজেদের অবস্থান বদলে রাজি নয় সরকার।
তাই নতুন করে আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করতে ফের পথে নামছেন প্রবীণরা। ইপিএস-৯৫ পেনশনভোগীদের সর্বভারতীয় সংগঠন ন্যাশনাল অ্যাজিটেশন কমিটির রাজ্য শাখা আজ মঙ্গলবার আদ্যাপীঠের কাছে এক সমাবেশের ডাক দিয়েছে। সংগঠনের রাজ্য শাখার সভাপতি তপন দত্ত বলেন, আমরা প্রত্যেকেই প্রবীণ ব্যক্তিরা। আমাদের পক্ষে যতটুকু সম্ভব, লড়াই করে এসেছি। কিন্তু কোনো সুফল মেলেনি। তাই সর্বভারতীয়ভাবেই আরও বড়ো আন্দোলনের ডাক দেওয়ার উদ্যোগ চলছে। তারই প্রস্তুতি বৈঠক আজ। আমরা যাতে আরও সংঘবদ্ধ হতে পারি, লোকবল বাড়াতে পারি, সেই উদ্যোগই নেওয়া হবে।
সংগঠনের সচিব (অর্থ) অমিয়কুমার দাস বলেন, আমরা গোড়া থেকেই বলে আসছি, পেনশনের অঙ্ক বাড়িয়ে মাসে সাড়ে সাত হাজার টাকা করা হোক এবং তার সঙ্গে যোগ করা হোক ডিএ। আমাদের জন্য আলাদা করে এমন কোনো প্রকল্প আনা হোক, যাতে চিকিৎসার সুযোগ মেলে। সেই দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাব আমরা।