নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী কাল, বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে ইনিউমারেশন পর্ব। ঠিক চারদিন পর, ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশ হবে খসড়া তালিকা। আর তারপরই শুনানি পর্ব। সেই লক্ষ্যে তোড়জোড় শুরু করে দিল কমিশন।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী কাল, বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে ইনিউমারেশন পর্ব। ঠিক চারদিন পর, ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশ হবে খসড়া তালিকা। আর তারপরই শুনানি পর্ব। সেই লক্ষ্যে তোড়জোড় শুরু করে দিল কমিশন।
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যে ৯৯.৭৫ শতাংশ অর্থাৎ ৭ কোটি ৬৪ লক্ষ ৪৪ হাজার ২৮১টি ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে। আরও জানা যাচ্ছে, এদিন পর্যন্ত ৯ হাজার ৬৩টি ইনিউমারেশন ফর্ম বিলি করা সম্ভব হয়নি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, রাত পর্যন্ত মেলা তথ্য অনুযায়ী রাজ্যে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নিজের বা আত্মীয়ের নাম না থাকা, অর্থাৎ আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ লক্ষে। এই ২৯ লক্ষ ভোটারকে শুনানির সম্মুখীন হতেই হবে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট ইআরওরা আনম্যাপ হওয়া ভোটারদের শুনানির জন্য নোটিশ পাঠাতে শুরু করবেন। সেই চিঠি পাওয়ার পর নির্ধারিত দিনে ইআরওর অফিসে উপস্থিত হয়ে তাঁদের কমিশন নির্ধারিত ১১টি নথির মধ্যে একটি পেশ করতে হবে। যাঁরা তা করতে পারবেন না, তাঁদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে। এছাড়াও এমন বহু ভোটার রয়েছেন, যাঁদের নাম ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে ম্যাপিং ও ম্যাচিং হয়ে গেলেও সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিশন। তাঁদেরও শুনানির জন্য ডাকা হতে পারে। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী তাঁদের কমিশনের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার পাশাপাশি ফর্মে থাকা তথ্যের সপক্ষে প্রমাণ দাখিল করতে হবে।
এই আবহেই কমিশন এদিন মনে করিয়ে দিয়েছে, এসআইআরে কেউ জাল নথি পেশ করলে করলে আইন মেনে সাজা হবে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ৩৩৭ ধারা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত জেল এবং জরিমানা হতে পারে। এদিকে, এদিন পর্যন্ত খসড়া তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭ লক্ষ ১ হাজার ৫৪৮। এরমধ্যে মৃত, স্থানান্তরিত ও নিখোঁজ ভোটাররা রয়েছেন। পাশাপাশি এদিন রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া থেকে প্রাপ্ত কয়েক লক্ষ মৃত ব্যক্তির তালিকা সিইও অফিসে পাঠিয়েছে কমিশন। সেগুলি মিলিয়ে দেখা হবে।