Bartaman Logo
২ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এবার কি রবীন্দ্র সরোবরে প্রবেশ মূল্য? অগ্নিমিত্রার সঙ্গে ‘মৌখিক’ আলোচনা

রবীন্দ্র সরোবরে প্রবেশ মূল্য চালুর আলোচনা করেছেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। পরিবেশ রক্ষায় এই সিদ্ধান্তের গুরুত্ব সম্পর্কে জানুন। বিস্তারিত পড়ুন।

এবার কি রবীন্দ্র সরোবরে প্রবেশ মূল্য? অগ্নিমিত্রার সঙ্গে ‘মৌখিক’ আলোচনা
  • ২ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এবার কি রবীন্দ্র সরোবরে চালু হতে চলেছে এন্ট্রি ফি? সম্প্রতি পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল রবীন্দ্র সরোবর পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানে আলোচনায় বিষয়টি উঠে আছে। মন্ত্রীর তরফে ‘মৌখিক’ বার্তা মিলেছে। তবে, এ বিষয়ে সরকারিভাবে কাগজে-কলমে কিছু এগয়নি বলে কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (কেএমডিএ) সূত্রে খবর। আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, এন্ট্রি ফি চালু হওয়া জরুরি। তবে বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব, বলা মুশকিল।

Advertisement

সম্প্রতি মন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় রবীন্দ্র সরোবরের বেশ কয়েকজন প্রাতঃভ্রমণকারী এবং তথাকথিত পরিবেশকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে রবীন্দ্র সরোবরের ‘মানোন্নয়ন’ নিয়ে বেশ কিছু ‘পরামর্শ’ দেন মন্ত্রী। আধিকারিক থেকে শুরু করে পরিবেশ কর্মীদের সঙ্গে নানা ধরনের আলোচনা করেন অগ্নিমিত্রা। সেখানেই উঠে আসে এন্ট্রি ফি চালুর বিষয়টি। মূলত প্রাতঃভ্রমণকারী এবং পরিবেশ কর্মীদের দিক থেকে বিষয়টি উত্থাপিত হয় বলে জানা গিয়েছে। তখন কেএমডিএ কর্তাদের কাছে এ নিয়ে মতামত চান অগ্নিমিত্রা। কেএমডিএ কর্তারা জানিয়েছেন, মন্ত্রীকে জানানো হয়েছে, ২০১৭ সালে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইবুনালের সুপারিশ রয়েছে, রবীন্দ্র সরোবরে এন্ট্রি ফি চালু করা হোক। কিন্তু বিগত সরকার এই বিষয়ে নজর দেয়নি। বিষয়টি শুনে ‘সবুজ সংকেত’ দেন মন্ত্রী। ব্যস, এইটুকুই! তারপরে এ নিয়ে আর কিছু এগয়নি। কেএমডিএ’র আধিকারিকদের একাংশের বক্তব্য, এই বিষয়টি নীতিগত সিদ্ধান্ত সাপেক্ষ। লেকে এন্ট্রি ফি চালু করতে হলে বৈঠকে বসা দরকার, ফাইল কীভাবে তৈরি হবে সেটাও ভাবতে হবে, কত টাকা প্রবেশ মূল্য ধার্য করা হবে তা নিয়েও আলোচনা হওয়া উচিত। একারণে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক জরুরি। ফলে সরোবরে এখনই প্রবেশ মূল্য চালু হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
তবে লেকে প্রবেশ মূল্য চালুর বিষয়ে একমত বিভিন্ন পক্ষ। সরকারি আধিকারিক থেকে শুরু করে পরিবেশ কর্মী— সকলেরই মত, প্রবেশ মূল্য চালু হলে যখন তখন যে কেউ সরোবরে আর ঢুকবে না। বিভিন্ন ধরনের ‘নেতিবাচক’ কাজকর্ম বন্ধ হবে। তাতে আখেরে সরোবরের পরিবেশ ‘ভালো’ হবে। পাশাপাশি, মোটা টাকা আয় হলে সেই টাকায় সরোবরের রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিকাঠামোর উন্নতি করা সম্ভব।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ