সুজিত ভৌমিক, কলকাতা: প্রেসিডেন্সি জেলে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল বিচারাধীন বন্দি মহম্মদ জামিলের (৪০)। ছাতুবাবু লেনের বাসিন্দা মহম্মদ জামিলকে এক নাবালককে যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল এন্টালি থানার পুলিস। জেলে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মারধরের ফলেই জামিলের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের সদস্যদের। স্বাভাবতই এই বন্দি মৃত্যুর ঘটনায় প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
Advertisement
কনভেন্ট ব্রিজের দিক ঢুকে মেরে কেটে দেড়শ মিটার যেতেই রাস্তার ডান দিকে এন্টালি থানার পুলিস পিকেট। পুলিস পিকেট পেরিয়ে গলি তস্য গলি পেরিয়ে বস্তিতে জামিলের ঘর। সোমবার বিকেলে বাড়িতে আত্মীয় পরিজনের পাশাপাশি প্রতিবেশীদের জটলা। মৃত জামিলের বোন জামিলা খাতুন জানালেন, ‘রবিবার দুপুর পৌনে দুটো নাগাদ পুলিস খবর দেয়, দাদা মারা গিয়েছে। কিন্তু সুস্থ মানুষটা জেলে হঠাৎ করে কখন অসুস্থ হল, তা আমাদের জানানো হয়নি। এমনকী দাদাকে পিজি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেটাও আমরা জানতাম না।’
মৃত জামিলের ছেলে মহম্মদ সমীরের অভিযোগ, ‘আমাদের সন্দেহ প্রেসিডেন্সি জেলে মারধরের ফলে মারা গিয়েছেন বাবা। পাশাপাশি সমীর কাঠগড়ায় তুলেছেন এন্টালি থানার পুলিসকেও। তাঁর অভিযোগ, ৯ তারিখের ঘটনায় মিথ্যে অভিযোগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বাবাকে গ্রেপ্তার করেছিল এন্টালি থানা। গ্রেপ্তারের আগে মতিঝিল বস্তির আজাদ, শেরু, নৌশাদ বাবাকে ইট দিয়ে বেধড়ক মেরেছিল। কিন্তু এন্টালি থানা আমাদের অভিযোগ নেয়নি।’ কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছেন, পুলিস হেফাজতে এন্টালি থানায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিল ওই বিচারাধীন বন্দি। তাই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ওই বন্দিকে ১৪ ফেব্রুয়ারি শিয়ালদহ আদালতে হাজির করানো হয়। আদালতে সরকার পক্ষ অভিযুক্তকে জেল হেফাজতে পাঠানোর আর্জি জানায়। আদালত সেই আর্জি মঞ্জুর করায় ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্সি জেল পাঠানো হয় জামিলকে। এদিকে, ভবানীপুর থানার জিডির নথি অনুযায়ী, ১৫ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ শনিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ চিকিৎসার জন্য প্রেসিডেন্সি জেল থেকে পিজি হাসপাতালে আনা হয়েছিল মহম্মদ জামিলকে। প্রাথমিক পরীক্ষার শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক লিখেছেন, ‘মহম্মদ জামিলের দেহে নাড়ির স্পন্দন মেলেনি। হৃদপিন্ড ও ফুসফুসের শব্দ মেলেনি। বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন ছিল না। চোখের মণি স্থির।’প্রশ্ন উঠছে, তবে কি প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষ মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যায় মহম্মদ জামিলকে? যদিও জেল কর্তৃপক্ষ মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
মৃত জামিলের ছেলে মহম্মদ সমীরের অভিযোগ, ‘আমাদের সন্দেহ প্রেসিডেন্সি জেলে মারধরের ফলে মারা গিয়েছেন বাবা। পাশাপাশি সমীর কাঠগড়ায় তুলেছেন এন্টালি থানার পুলিসকেও। তাঁর অভিযোগ, ৯ তারিখের ঘটনায় মিথ্যে অভিযোগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বাবাকে গ্রেপ্তার করেছিল এন্টালি থানা। গ্রেপ্তারের আগে মতিঝিল বস্তির আজাদ, শেরু, নৌশাদ বাবাকে ইট দিয়ে বেধড়ক মেরেছিল। কিন্তু এন্টালি থানা আমাদের অভিযোগ নেয়নি।’ কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছেন, পুলিস হেফাজতে এন্টালি থানায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিল ওই বিচারাধীন বন্দি। তাই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ওই বন্দিকে ১৪ ফেব্রুয়ারি শিয়ালদহ আদালতে হাজির করানো হয়। আদালতে সরকার পক্ষ অভিযুক্তকে জেল হেফাজতে পাঠানোর আর্জি জানায়। আদালত সেই আর্জি মঞ্জুর করায় ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্সি জেল পাঠানো হয় জামিলকে। এদিকে, ভবানীপুর থানার জিডির নথি অনুযায়ী, ১৫ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ শনিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ চিকিৎসার জন্য প্রেসিডেন্সি জেল থেকে পিজি হাসপাতালে আনা হয়েছিল মহম্মদ জামিলকে। প্রাথমিক পরীক্ষার শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক লিখেছেন, ‘মহম্মদ জামিলের দেহে নাড়ির স্পন্দন মেলেনি। হৃদপিন্ড ও ফুসফুসের শব্দ মেলেনি। বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন ছিল না। চোখের মণি স্থির।’প্রশ্ন উঠছে, তবে কি প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষ মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যায় মহম্মদ জামিলকে? যদিও জেল কর্তৃপক্ষ মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।



