Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাংলার সৈকত শহর হয়ে উঠছে তীর্থক্ষেত্র, রথযাত্রার হোটেল বুকিং নিয়ে উত্সাহ তুঙ্গে

বদলে গেল দীঘা। এতদিন শুধু সমুদ্র সৈকতই আকর্ষণ ছিল, এবার বাংলার সৈকত শহরের মুকুটে যোগ হল জগন্নাথ মন্দির। আজ, বুধবার মন্দিরের উদ্বোধনের প্রক্রিয়া শেষ হবে।

বাংলার সৈকত শহর হয়ে উঠছে তীর্থক্ষেত্র, রথযাত্রার হোটেল বুকিং নিয়ে উত্সাহ তুঙ্গে
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দীঘা: বদলে গেল দীঘা। এতদিন শুধু সমুদ্র সৈকতই আকর্ষণ ছিল, এবার বাংলার সৈকত শহরের মুকুটে যোগ হল জগন্নাথ মন্দির। আজ, বুধবার মন্দিরের উদ্বোধনের প্রক্রিয়া শেষ হবে। তারপরেই সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হবে এই তীর্থক্ষেত্র। সেখানকার ছোট ব্যবসায়ী, পরিবহণ কর্মী থেকে হোটেল মালিকরা আশায় দিন গুনছেন। মঙ্গলবার, বুধবার ফিরে আসার পরিকল্পনা থাকলেও অনেকেই এখন দীঘা ছাড়ার পক্ষপাতী নন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে দ্বারোদ্ঘাটনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে মানুষের মধ্যে উত্সাহ তুঙ্গে। 

Advertisement

দীঘার হোটেল মালিকদের সংগঠনের তরফে বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন, ‘মন্দির দেখার আগ্রহ মানুষের মধ্যে বাড়ছে। ইতিমধ্যেই রথযাত্রার সময় বুকিং পাওয়া যাবে কি না, তা জানতে ফোন আসা শুরু হয়েছে। আমরা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করব।’ এই ক’দিন নিরাপত্তার কারণে সাধারণ মানুষের আনাগোনা নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল দীঘায়। এবার সেই নিয়ন্ত্রণ উঠতেই বুকিংয়ের জোয়ার আসবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। এতদিন সপ্তাহান্তে ছুটি কাটাতে বাঙালির প্রিয় ছিল দীঘা। কিন্তু এবার বাড়ির মহিলা, বয়স্কদের জন্যও নতুন আগ্রহ শুরু হয়েছে এই মন্দিরকে ঘিরে। 
ছোট ব্যবসায়ী সমিতির তরফে অশোক প্রধান বলছিলেন, ‘আগে শুধু সমুদ্র নিয়েই আগ্রহ ছিল। এখন বুঝতে পারছি, ধর্মীয় ভাবাবেগ যোগ হলে মানুষের আগ্রহ কোথায় পৌঁছয়। অনেকেই বলে যাচ্ছেন, এখন দেখে গেলাম। পরে সপরিবারে আসব।’  এমনকী টোটো চালক, ডালা বিক্রেতা, মিষ্টি বিক্রেতার মধ্যেও উত্সাহ চোখে পড়ার মতো। দীঘা লাগোয়া মৈত্রাপুর গ্রাম থেকে এদিন এসেছিলেন শঙ্কর গাঁতাইত ও তাঁর স্ত্রী মাধবী গাঁতাইত। দ্বারোদ্ঘাটন অনুষ্ঠানের একটা পাসের জন্য রীতিমতো হন্যে হয়ে ঘুরছিলেন তাঁরা। রামনগর-১ গ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিতাইচরণ সর বলছিলেন, ‘মানুষকে দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য দর্শকাসন প্রায় ২০ হাজার করা হয়েছে। প্রচুর মানুষ প্রভু দর্শনের জন্য বারবার জিজ্ঞেস করছেন।’ 
সকলের সুবিধার জন্য মন্দিরের বাইরে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর ব্যবস্থাও থাকবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ