সংবাদদাতা, ইসলামপুর: আব্দুল হোসেন ওরফে আবালের কাছে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করল পুলিস। তদন্তের স্বার্থে মোবাইল ফোনটি সিআইডি’র হাতে দেবে পুলিস। পাঞ্জিপাড়া শ্যুটআউট কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত সাজ্জাক আলমকে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে প্রিজন ভ্যান থেকে পালাতে সহায়তা করেছিল আবাল। সে এখন পুলিস হেফাজতে আছে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিস বৃহস্পতিবার রাত ৯টা নাগাদ এই সাফল্য পেয়েছে। করণদিঘি থানার রসাখোয়ার মহেশপুর এলাকায় বেঙ্গল টু বেঙ্গল সড়কের একটি ব্রিজের নীচের জলাজায়গা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। ধৃত আবালই ওই জায়গা চিহ্নিত করে দিয়েছিল। ওই এলাকা থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত ৩ কিমি দূরে।পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পাঞ্জিপাড়া কাণ্ডের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র ও বাইক কিনতে ধাপে ধাপে এক লক্ষ টাকা আবালের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেছিল বিহারের কুখ্যাত দুষ্কৃতী ও মাদক কারবারি হাবিবুর রহমান ওরফে নানা। নানা এখন পুলিস হেফাজতে আছে। তার দেওয়া টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে দু’টি পিস্তল কেনে আবাল। তার একটি সে কোর্ট লকআপে সাজ্জাকের হাতে পৌঁছে দিয়েছিল এবং অন্যটি সে নিজের কাছে রেখেছিল। গোয়ালপোখরের কিচকটোলায় পুলিসের সঙ্গে এনকাউন্টারে মৃত সাজ্জাকের কাছ থেকে পুলিস একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে।
Advertisement
এবার আবালের কাছে থাকা আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার হল। উদ্ধার হওয়া আবালের ফোন থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে অনুমান গোয়েন্দাদের। পাঞ্জিপাড়া শ্যুটআউট কাণ্ডের তদন্ত করছে পুলিস। অন্যদিকে কিচকটোলায় এনকাউন্টারে ঘটনায় পুলিস মানলা করেছে। ওই কেসের তদন্ত করছে সিআইডি।
ফলে উদ্ধার হওয়া আবালের মোবাইল ফোনটি পুলিস সিআইডির হাতে দেবে।
ইসলামপুর পুলিস জেলার এসপি জবি থমাস বলেন, পাঞ্জিপাড়া শ্যুটআউট কাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র আমরা সাজ্জাকের কাছ থেকে পেয়েছি। পুলিস হেফাজতে থাকা আবালের স্টেটমেন্টের উপর ভিত্তি করে আমরা রসাখোয়ার একটি পুকুরের কাদা থেকে মোবাইল ফোন ও একটি সেভেন এমএম পিস্তল এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছি। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও মোবাইল আবালের কাছে ছিল। পুলিসের ভয়ে সে পুকুরে ফেলে দিয়েছিল। মোবাইল ফোনটি সিআইডির কাছে পাঠানো হচ্ছে।
ফলে উদ্ধার হওয়া আবালের মোবাইল ফোনটি পুলিস সিআইডির হাতে দেবে।
ইসলামপুর পুলিস জেলার এসপি জবি থমাস বলেন, পাঞ্জিপাড়া শ্যুটআউট কাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র আমরা সাজ্জাকের কাছ থেকে পেয়েছি। পুলিস হেফাজতে থাকা আবালের স্টেটমেন্টের উপর ভিত্তি করে আমরা রসাখোয়ার একটি পুকুরের কাদা থেকে মোবাইল ফোন ও একটি সেভেন এমএম পিস্তল এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছি। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও মোবাইল আবালের কাছে ছিল। পুলিসের ভয়ে সে পুকুরে ফেলে দিয়েছিল। মোবাইল ফোনটি সিআইডির কাছে পাঠানো হচ্ছে।



