


নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: সপরিবারে ইউরোপ ভ্রমণ করার জন্য এক ট্রাভেল সংস্থাকে ১৪ লক্ষ ৩৩ হাজার দিয়ে দিয়েছিলেন এক সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। কিন্তু, ভ্রমণের সময় পেরিয়ে গেলেও কাগজপত্র দিতে পারেনি ওই সংস্থা। এমনকী, ভ্রমণের তারিখ আসার আগেই সমস্তরকম যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। সল্টলেক সেক্টর ফাইভে অবস্থিত ওই সংস্থার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ইঞ্জিনিয়ার। ঘটনায় অভিযুক্ত ট্রাভেল সংস্থার ডিরেক্টর সহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম বাশারুল ইসলাম ওরফে মুন্না এবং রাকেশ নন্দন দাস। এর মধ্যে বাশারুলকে কিছুদিন আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা থেকে বাশারুলের সহযোগী রাকেশকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ি রাজারহাটে। তিনি বেঙ্গালুরুতে কর্মরত। পরিবারের ছ’জন মিলে ইউরোপ ট্যুর করার প্ল্যান করেছিলেন। ওই পরিবারটি ২৩ এপ্রিল, ২০২৩ তারিখে একটি ট্যুর প্যাকেজ বুক করেছিলেন। ২০২৪ সালের মে মাসে সম্পূর্ণ টাকা দিয়ে দেন। ওই ট্রাভেল সংস্থার দায়িত্ব ছিল ভিসা প্রসেস করার। ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট তাঁর যাত্রা ছিল। কিন্তু, ভিসার জন্য দেরি করে সংস্থা। ৭ আগস্ট তারিখ বাতিল করে ২৪ আগস্ট করা হয়। ১৯ তারিখের মধ্যেই সমস্ত কাগজপত্র দিয়ে দেওয়ার কথা ছিল সংস্থার। কিন্তু, তারা কিছুই দেয়নি। যোগাযোগও বন্ধ করে দেয়। টাকাও ফেরত দেয়নি। ফলে, ১৪ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা দিয়েও বিদেশ ভ্রমণ করতে পারেন ওই পরিবার। উল্টে, প্রতারণার শিকার হন। ২০ আগস্ট ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায় লিখিত অভিযোগে জানানো হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে বাশারুলকে গ্রেফতার করে। তাকে জেরা করে তার সঙ্গী গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। প্রতারণার টাকাও উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে।