


নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে গোটা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতে। এই অঞ্চলে খনিজ তেলের মজুতের পরিমাণ সামান্য। ফলে ভারতের মতো এই দেশগুলিও জ্বালানির জন্য পশ্চিম এশিয়ার উপরে নির্ভরশীল। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপের মতো দেশে জ্বালানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের দ্বারস্থ হয়েছে দেশগুলি। তবে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, দেশের আভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পরই পড়শি দেশগুলিকে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়টি ভেবে দেখা হবে।
এদিন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ‘বেশ কয়েকটি পড়শি দেশ জ্বালানি আমদানির জন্য আবেদন করেছে। ডিজেল আমদানির জন্য আবেদন করেছে বাংলাদেশও। যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদনকে বিবেচনা করা হবে।’ প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরেই ভারতের থেকে নিয়মিত জ্বালানি আমদানি করে বাংলাদেশ। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও তা অব্যাহত।