Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এন আর এস হাসপাতালে চলছে দেদার সিনেমা ও গেম ডাউনলোড, ফেসবুক

এন আর এস হাসপাতালে চলছে দেদার সিনেমা ও গেম ডাউনলোড, ফেসবুক
  • ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: ই-মেলের পর ই-মেল। বক্তব্য একটাই, নেট এত স্লো কেন আপনাদের? মডার্ন মেডিসিনের শিক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণের শীর্ষ সংস্থা হল ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন। তারাই এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে ই-মেলের পর ই-মেল পাঠিয়েই চলেছে। কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা গেল, কেন্দ্রীয় প্রকল্প দ্য ন্যাশনাল 
Advertisement
নলেজ নেটওয়ার্কের (এনকেএন) সুবাদে পাওয়া সরকারি ইন্টারনেটের লাগামছাড়া ব্যবহার চলছে। সব ধরা পড়ছে ফায়ার ওয়ালে। তাই সিদ্ধান্ত হয়েছে, এবার থেকে সরকারি ইন্টারনেটে বসবে আরও দুর্ভেদ্য ফায়ার ওয়াল সিস্টেম। বাদ পড়বে যাবতীয় সোশ্যাল মিডিয়া, ই কমার্স, অনলাইন ফুড ডেলিভারি অ্যাপ, সমস্ত ওটিটি, ইউটিউব এবং পর্ন সাইট। থাকবে সমস্ত সরকারি পোর্টাল ও সাইট দেখার সুযোগ, হোয়াটসঅ্যাপ, কয়েকটি মেল, বৈঠক করার বিভিন্ন মিটিং সাইট। এন আর এস মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 
অধ্যক্ষ ডাঃ পীতবরণ চক্রবর্তী বলেন, সরকারি ইন্টারনেট শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজনে ব্যবহার করার কথা। সরকারি প্রয়োজন, শিক্ষামূলক প্রয়োজন ও চিকিৎসক-কর্মীদের কাজে সুবিধার জন্য দেওয়া হয়েছিল ইন্টারনেট। ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে পাঁচশো। কিন্তু তা নিয়েই চলছিল সরকারি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সিনেমা দেখা, ই কমার্স সাইটে গিয়ে দেদার কেনাকাটা, সিনেমা ও গেম ডাউনলোড, সোশ্যাল মিডিয়ায় চ্যাট—কী নয়! এমনকী আপত্তিকর অ্যাডাল্ট ছবি, ভিডিও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দেখা হয়েছে। এইসব দেখে ফায়ার ওয়াল বসিয়েছিল এন আর এস। তাতেও ধরা পড়ে কীর্তি। ফায়ার ওয়ালের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন করে লাইসেন্স নেওয়ার জন্য সরকারি চিঠি, মেল, পাল্টা মেলে সময় কেটে যায় অনেকটাই।  
এদিকে এসেছে নতুন বিপদ। এনএমসি’র খাঁড়া। এতদিন পঠনপাঠন ও পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে তারা চিঠি বা ই-মেল পাঠাত। কিন্তু এ যে নতুন বিপদ। হাসপাতাল জুড়ে কাজকর্ম ও পড়াশোনা কেমন চলছে, তা জানতে সিসি ক্যামেরা বসিয়েছিল এনএসসি। নেটের অবস্থা এতটাই খারাপ, নজরদারিতে লাগানো ওই সিসি ক্যামেরাগুলিতে সংরক্ষিত রাখা ভিডিওগুলি দিল্লিতে বসে দেখতেই পারছেন না এনএমসি কর্তারা। 
এন আর এসের এক কর্তা বলেন, আমাদের ওই ইন্টারনেটের স্পিড থাকার কথা ১০০ এমবিপিএস। সেখানে অপব্যবহারের কারণে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য‌ স্পিড কমে হয়েছে ৩০ এমবিপিএস। এনএমসি’র আধিকারিকরা সিসিটিভি’র ভিডিওগুলি আর খুলতেই পারছেন না। বাফারিং হয়েই চলেছে।
কার্টুন: সুব্রত মাজি
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ