Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে, বার্তা বিচারপতি নাগরত্নার

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। ভোটার তালিকার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) থেকে শুরু করে ভোট পরিচালনা—নানা ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠছে কমিশনের বিরুদ্ধে।

নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে, বার্তা বিচারপতি নাগরত্নার
  • ৫ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। ভোটার তালিকার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) থেকে শুরু করে ভোট পরিচালনা—নানা ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠছে কমিশনের বিরুদ্ধে। এই আবহেই শনিবার কমিশন সহ অন্যান্য সাংবিধানিক সংস্থাকে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা বার্তা দিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বি ভি নাগরত্না। শনিবার বিহারের পাটনায় চাণক্য ল ইউনিভার্সিটিতে ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ মেমোরিয়াল লেকচার দিয়েছেন তিনি। সেখানে বিচারপতি নাগরত্না বলেছেন, দেশে সাংবিধানিক শাসন বজায় রাখতে কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলির গুরুত্ব অপরিসীম। সেই কারণে তাদের অবশ্যই স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে। 

Advertisement

ভারতীয় গণতন্ত্রে কমিশনের ভূমিকা সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিচারপতি নাগরত্না আরও বলেছেন, ভোটের আয়োজন কোনও রুটিন কাজ নয়।  সাংবিধানিক গণতন্ত্রে নির্বাচনই সরকার বদলের একমাত্র পথ। সময়মতো  ভোটের মাধ্যমে অত্যন্ত মসৃণভাবে ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটে এসেছে। এই প্রক্রিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণের অর্থ হল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার শর্তাবলির উপর নিয়ন্ত্রণ। এপ্রসঙ্গে টি এন শেষন বনাম ভারত সরকার মামলার কথাও উঠে এসেছে তাঁর বক্তব্যে। বিচারপতি বলেছেন, 
নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্তরা প্রতিযোগী রাজনৈতিক দলগুলির 
উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়লে গোটা প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ হতে পারে না।  সাংবিধানিক কাঠামো অক্ষুণ্ণ রাখতে প্রতিষ্ঠানগুলির একে অপরের 
উপর নজরদারি করা উচিত। কমিশন ছাড়াও কম্পট্রোলার অ্যান্ড জেনারেল (ক্যাগ) ও অর্থ কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন বিচারপতি নাগারত্না। তাঁর কথায়, এই প্রতিষ্ঠানগুলিকে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে তারা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে পারে। কাজেই এই প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনভাবে কাজ করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ