Bartaman Logo
৮ জুলাই, ২০২৬

বিহারের এসআইআর নিয়ে তথ্য প্রকাশ করল না নির্বাচন কমিশন

৪৮ ঘণ্টা পার। মূল কাজ শেষ হয়েছে ১ সেপ্টেম্বর। তবুও বিহারের স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) নিয়ে সাম্প্রতিক তথ্য প্রকাশ করতে পারল না ভারতের নির্বাচন কমিশন।

বিহারের এসআইআর নিয়ে তথ্য প্রকাশ করল না নির্বাচন কমিশন
  • ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:০৯
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ৪৮ ঘণ্টা পার। মূল কাজ শেষ হয়েছে ১ সেপ্টেম্বর। তবুও বিহারের স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) নিয়ে সাম্প্রতিক তথ্য প্রকাশ করতে পারল না ভারতের নির্বাচন কমিশন। শেষ পর্যন্ত কী শুদ্ধকরণ হল, কতজন নাম অন্তর্ভূক্ত করলেন বা কাটালেন, তার কোনও পরিসংখ্যান বুধবার বিকেল পর্যন্ত জানাল না কমিশন। তবে কি সুপ্রিম কোর্টের খাঁড়া? উঠছে প্রশ্ন। এতো একপ্রকার, নির্বাচনের দিনে শেষ মুহূর্তের ভোটের হার জানাতে যেভাবে কমিশন অত্যন্ত দেরি করে, সেইরকমই অবস্থা। ভোটার হার জানাতে দেরি করায় কারচুপির অভিযোগ ওঠে। এক্ষেত্রে কী? 

Advertisement

কমিশনের অত্যন্ত বিশ্বস্ত সূত্রও জানিয়েছে, ‘যেহেতু এসআইআরের এই মূল পর্বের রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টের আগামী শুনানিতে (৮ সেপ্টেম্বর) দেওয়া হবে, তাই অত্যন্ত সতর্ক হয়ে তা তৈরি করা হচ্ছে। অন্তর্ভূক্তির বদলে ব্যাপক পরিমাণ নাগরিকের নাম বাদ গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বেঞ্চের সামনে এমনটা যাতে কোনওভাবেই উপস্থাপন না হয়, তারই লক্ষ্যে নিখুঁতভাবে বুলেটিন তৈরি করা হচ্ছে।’ 
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বিহারের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দফায় দফায় কথা বলছেন। ৩৮ জেলার নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও), ২৪৩ ইআরও’র পাশাপাশি ২ হাজার ৯৭৬ জন এইআরও এবং ৭৭ হাজার ৮৯৫ জন বুথ লেভেল আধিকারিকদের বলে দেওয়া হয়েছে ইনিউমারেশন ফর্ম জমা, তার সঙ্গে নথি পরীক্ষা করে ফাইনাল তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে যেন কোথাও কোনও ত্রুটি না থাকে। কারণ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ কমিশনের কাজে স্থগিতাদেশ দেয়নি ঠিকই, তবে সতর্কবার্তা শুনিয়ে রেখেছে। তা হল, ব্যাপক পরিমাণ নাম বাদ গেলে সুপ্রিম কোর্ট হস্তক্ষেপ করবে। 
নাগরিক স্বার্থে সেই ‘হস্তক্ষেপ’ কত দূর হতে পারে, তা নিয়ে নয়াদিল্লির নির্বাচন সদনের অলিন্দে আশঙ্কার আবহ ঘুরপাক খাচ্ছে। কমিশনের সাম্প্রতিক বুলেটিন মোতাবেক, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটিও অভিযোগ জমা পড়েনি বলেই খাতায় কলমে উল্লেখ রয়েছে। যদিও তাদের কাছে থেকে একেবারে শেষ মুহূর্তে ৮৯ লক্ষ নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করা হয়েছিল, তা স্বীকার করছে কমিশন। কমিশনের মন্তব্য, নির্দিষ্ট ফরম্যাটে ওই অভিযোগ জমা দেওয়া হয়নি। তাই ওটি সরকারিভাবে গ্রহণ করা হয়নি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ