নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: গলির মুখে সাইকেল রাখা নিয়ে বচসার জেরে নিউ বারাকপুরের লেলিনগড়ে এক ব্যক্তির চোখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ পত্রে তিনজনের নাম থাকলেও, এক তৃণমূল নেতা এবং তাঁর সাগরেদের নাম হুমকি দিয়ে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। বুধবার রাতে আক্রান্তের পরিবার নিউ বারাকপুর থানায় গিয়ে ফের অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা সজল দাস ও তাঁর সাগরেদ পল্টে হালদারের নামে মারধর ও হুমকি দেওয়ার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। নিউ বারাকপুর থানার পুলিস জানিয়েছে, নতুন করে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রবিবার রাতে বিলকান্দা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের লেলিনগড় বাজার এলাকার বাসিন্দা নন্দী বিশ্বাস বাড়ির সামনে রাস্তা আটকে সাইকেল রাখার প্রতিবাদ করেছিলেন। পাশের তৃণমূল কার্যালয় থেকে ঝামেলা মেটাতে এসে রাজু মিত্র নামের তৃণমূল কর্মী নন্দীবাবুকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। তাঁর চোখ ফেটে যায়। নন্দীবাবুকে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা পাশের তৃণমূল পার্টি অফিসে যান। সেখানে অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি তথা বারাকপুর-২ ব্লকের কর্মাধ্যক্ষ সজল দাস ও তাঁর সাগরেদ পল্টে হালদার তাঁদের মারধর করার পাশাপাশি হুমকি দেন বলে অভিযোগ। রাতে থানায় সজল সহ তিনজনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। রাজু গ্রেপ্তার হলেও হুমকি ও পুলিসি চাপে আক্রান্তের পরিবার অভিযোগপত্র থেকে সজল ও পল্টের নাম বাদ দিতে বাধ্য হয় বলে অভিযোগ। বুধবার রাতে ফের আক্রান্তের পরিবার থানায় গিয়ে সজল ও পল্টের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। যদিও সজলবাবুর বক্তব্য, পরিকল্পনা করে আমার নাম জড়ানো হচ্ছে। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। আক্রান্তের ভাই পরীক্ষিত বিশ্বাস বলেন, দাদার একটি চোখ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আমরা বিচার চাই।