নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: আগামী মে মাসে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগ হবে উড়ালপুলের মাধ্যমে। আইনি জটিলতায় একটি লেন চালু করা যাচ্ছে না। তবে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে থেকে সোদপুরমুখী উড়ালপুলের লেনটি চালু হয়ে যাবে বলে জানিয়ে দিলেন পূর্তসচিব অন্তরা আচার্য। বৃহস্পতিবার বারাকপুরে তিনি বলেন, আমি এদিন বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুখ থেকে বড়জাগুলি পর্যন্ত গোটা রাস্তার কাজ দেখেছি। সোদপুর মুড়াগাছা থেকে কাঁচরাপাড়ার কাপা পর্যন্ত ৯৯ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে। দু’টি জায়গায় কালভার্ট তৈরির কাজ চলছে। টোল নেওয়া হবে কি না, সে ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। কিন্তু আইনি জটিলতায় উড়ালপুলের একটি লেনের কাজ থমকে আছে। একটি পিলার করা বাকি। একটি বাড়ি সেই জমি না দেওয়ায় পিলারটি তৈরি করা যাচ্ছে না। কিন্তু আমরা ঠিক করেছি, মে মাসের মধ্যে উড়ালপুলের সোদপুরমুখী লেন চালু করে দেব। ওই লেনেই আপাতত দুই মুখে গাড়ি চলাচল করবে। এমনকী তার নীচের রাস্তাও তৈরি হয়ে গিয়েছে। এই উড়ালপুল চালু হয়ে গেলে উত্তর শহরতলিতে যান চলাচলের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে যাবে। বিটি রোডের পরিবর্তে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে এবং কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে ধরে মাত্র ৩০ মিনিটেই পৌঁছে যাওয়া যাবে কল্যাণী। এজন্য ১৭টি উড়ালপুল এবং ৬০টি আন্ডারপাস তৈরি হয়েছে। এদিন গোটা রাস্তাটি হাইওয়ে ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন, পূর্তদপ্তর এবং নির্মাণকারী সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে সরেজমিনে দেখেন পূর্তসচিব। মুড়াগাছা এবং ওয়ারলেস মোড়ে এখনও কালভার্ট তৈরির কাজ চলছে। এদিন বারাকপুর পুলিস কমিশনারেটের কর্তাব্যক্তিরাও ছিলেন। কোথায় কোথায় ‘সাইনেজ’ বসানো দরকার, পুলিস কর্তাদের সেই পরিকল্পনা করার নির্দেশও দিয়েছেন পূর্তসচিব।



