সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: এক্স-রে করতে রোগীকে হুইল চেয়ার বা স্ট্রেচারে করে নিয়ে যেতে হচ্ছে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে। নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালের নতুন ভবন থেকে পুরনো ভবনের দোতলায় পৌঁছালে তবেই মেলে এক্স-রে করবার সুবিধা। ভর্তি থাকা অসুস্থ রোগীদের প্রতিদিন এই ভাবেই খোলা আকাশের নিচ দিয়ে এক্স-রে করাতে নিয়ে যেতে হয়। এই যাতায়াতের পথে কোন আচ্ছাদন নেই। রোদ জল বৃষ্টিতে এক্স-রে করাতে নিয়ে গিয়ে মুমূর্ষু রোগী আরও অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন বলে মনে করছেন অনেকেই। হয়রানির সম্মুখীন হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রোগীর পরিবারের।
Advertisement
যদিও এ প্রসঙ্গে হাসপাতাল সুপার অনঘ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যেসমস্ত রোগীর খুবই সঙ্কটজনক অবস্থা, যাঁদের কোনওরকম মুভ করানো সম্ভব না। সেক্ষেত্রে উন্নতমানের পোর্টেবল এক্স-রে মেশিনের মাধ্যমে ওখানেই ইমেজ তৈরি করা হয়। বুকের ছবি ছাড়া অন্য যে সমস্ত রোগীদের যাঁদের হাত ভেঙেছে,পা ভেঙেছে সেই এক্সরে গুলোর জন্য নতুন বিল্ডিং থেকে পুরনো বিল্ডিং - এ আনতেই হয়। এক্স-রে মেশিনের একটা ইউনিট তৈরি করতে গেলে যে গাইডলাইন দরকার হয় সেটা মেনে একটা জায়গাতেই করা আছে। সেটা দুটো জায়গাতে করার কথা নয়। ডিজিটাল সেটআপ নুতন বিল্ডিং এ করা সম্ভব নয়। এটা স্টেট জেনারেল হাসপাতাল। সে ক্ষেত্রে ওই নতুন বিল্ডিং- এ এই এক্স–রে করার কোন সুযোগ নেই। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যদি নতুন করে পরবর্তীকালে পরিকল্পনা করেন তবেই হবে।
এদিন হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেল তিয়াত্তর বছরের হারাধন শীলকে নতুন বিল্ডিং থেকে পুরনো বিল্ডিং এ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এক্স–রে করানোর জন্য। তবে অনেকেই ওই সময় এক্স–রে করতে গিয়েছেন বলে হারাধনবাবু হুইল চেয়ার পাননি। নবদ্বীপ তমাল তলার বাসিন্দা ওই বৃদ্ধের ছেলে শিশির শীল বলেন, অসুস্থতার কারণে বাবাকে শনিবার ভর্তি করানো হয়েছে। ডাক্তারবাবু এক্স- রে করতে বলেছেন। নতুন ভবনে যদি এক্স–রে করার ব্যবস্থা হতো খুব ভালো হতো।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, প্রতিদিনই এইভাবেই নতুন বিল্ডিং থেকে পুরনো বিল্ডিং- এ এক্স–রে করতে যেতে হয়। কিন্তু যাদের লোকবল নেই তাদের খুবই সমস্যায় পড়তে হয়। এছাড়া পুরনো বিল্ডিং- এ কোনরকম লিফটের ব্যবস্থা নেই। এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও হেলদোল নেই।
উল্লেখ্য, নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালের নতুন ভবনে জরুরি বিভাগ, শিশু রোগ বিভাগ, পুরুষ ও মহিলা মেডিকেল ও সার্জিক্যাল বিভাগ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই চলছে তাদের চিকিৎসা পরিষেবা।কিন্তু পুরনো ভবনে এক্স -রে মেশিন রয়ে গিয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া কোন রোগীর এক্স -রে করানোর প্রয়োজন হলে রোগীকে নতুন ভবন থেকে নিয়ে যেতে হয় প্রায় ৩০০ মিটার দূরের পুরনো ভবনের দোতলায়। ১২৫ শয্যার নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১৭৫ থেকে ১৮০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। এছাড়া আউটডোরে ভিড় করেন নবদ্বীপ ব্লকের আরও কয়েকশো মানুষ। তবে শুধু নবদ্বীপ নয়, লাগোয়া পূর্ব বর্ধমামনের পূর্বস্থলী, লক্ষ্মীপুর, বেলেরহল্ট, বিদ্যানগর, নাদনঘাট প্রভৃতি অঞ্চলের রোগীদের চিকিৎসার জন্য ভরসা এই হাসপাতাল।
(নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতাল। নিজস্ব চিত্র)
এদিন হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেল তিয়াত্তর বছরের হারাধন শীলকে নতুন বিল্ডিং থেকে পুরনো বিল্ডিং এ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এক্স–রে করানোর জন্য। তবে অনেকেই ওই সময় এক্স–রে করতে গিয়েছেন বলে হারাধনবাবু হুইল চেয়ার পাননি। নবদ্বীপ তমাল তলার বাসিন্দা ওই বৃদ্ধের ছেলে শিশির শীল বলেন, অসুস্থতার কারণে বাবাকে শনিবার ভর্তি করানো হয়েছে। ডাক্তারবাবু এক্স- রে করতে বলেছেন। নতুন ভবনে যদি এক্স–রে করার ব্যবস্থা হতো খুব ভালো হতো।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, প্রতিদিনই এইভাবেই নতুন বিল্ডিং থেকে পুরনো বিল্ডিং- এ এক্স–রে করতে যেতে হয়। কিন্তু যাদের লোকবল নেই তাদের খুবই সমস্যায় পড়তে হয়। এছাড়া পুরনো বিল্ডিং- এ কোনরকম লিফটের ব্যবস্থা নেই। এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও হেলদোল নেই।
উল্লেখ্য, নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালের নতুন ভবনে জরুরি বিভাগ, শিশু রোগ বিভাগ, পুরুষ ও মহিলা মেডিকেল ও সার্জিক্যাল বিভাগ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই চলছে তাদের চিকিৎসা পরিষেবা।কিন্তু পুরনো ভবনে এক্স -রে মেশিন রয়ে গিয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া কোন রোগীর এক্স -রে করানোর প্রয়োজন হলে রোগীকে নতুন ভবন থেকে নিয়ে যেতে হয় প্রায় ৩০০ মিটার দূরের পুরনো ভবনের দোতলায়। ১২৫ শয্যার নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১৭৫ থেকে ১৮০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। এছাড়া আউটডোরে ভিড় করেন নবদ্বীপ ব্লকের আরও কয়েকশো মানুষ। তবে শুধু নবদ্বীপ নয়, লাগোয়া পূর্ব বর্ধমামনের পূর্বস্থলী, লক্ষ্মীপুর, বেলেরহল্ট, বিদ্যানগর, নাদনঘাট প্রভৃতি অঞ্চলের রোগীদের চিকিৎসার জন্য ভরসা এই হাসপাতাল।
(নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতাল। নিজস্ব চিত্র)



