ডাঃ তীর্থপ্রতিম পুরকাইত: নুন
Advertisement
• প্রতিদিন মাথাপিছু সর্বোচ্চ ১.৫ গ্রাম থেকে ২.৩ গ্রাম পর্যন্ত খাওয়া যায়।
• নুন প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
• আমাদের লালাগ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে। ফলে হজমে সহায়ক এমন নানা এনজাইম বেরয়।
• মুখগহ্বরের জীবাণু নাশ করে। প্লাক দূর করে।
• ইলেকট্রোলাইটস-এর উত্স। রয়েছে একাধিক খনিজ। ফলে রক্ত সঞ্চালেনও সাহায্য করে।
সাবধান
সারাদিনে আমরা নানা ধরনের খাদ্য খাই। সেইরকম বিভিন্ন ধরনের খাদ্যে লুকনো অবস্থায় থাকে নুন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, প্যাকেটজাত নানা সামুদ্রিক খাদ্য, হ্যাম, ক্যানড ফুড, ভেজিটেবল স্যুপ, ব্রেকফাস্টে ব্যবহৃত নানা শস্যজাতীয় খাদ্য, মাখন, কটেজ চিজ, বাটার মিল্ক, স্যস, পিৎজা, নুডলস, বিরিয়ানি, পট্যাটো চিপস ইত্যাদিতে। খেয়াল রাখবেন, আমরা এমনিতেই বাড়ির রান্নায় নুন মিশিয়েই খাই। তার সঙ্গে এই ধরনের খাদ্যগুলিতেও থাকে প্রচুর নুন। ফলে আমরা যত বেশি এই ধরনের খাবার খাব, তত বেশি করে শরীরে ঢুকবে নুন। এইভাবেই অজান্তেই শরীরে প্রবেশ করে উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা! সঙ্গে হাত ধরে আসে হার্টের রোগ।
চিনি
রোজ সারা দিনে ২৫ গ্রাম বা ৬ চা চামচ মতো চিনি খাওয়া যায়। তবে এই মাত্রায় চিনি না খাওয়াই উচিত।
• সুগার বেশি খেলে ডায়াবেটিস, পিসিওডি, ডিপ্রেশন, ক্যান্সার, রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা দুর্বল হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এছাড়া দ্রুত এজিং বা শারীরিকভাবে বুড়ো হওয়ার দিকে এগিয়ে যায় মানুষ। হতে পারে ফ্যাটি লিভার, কিডনির অসুখ। এছাড়া নিয়মিত মিষ্টি খাবার খেলে মিষ্টি খাদ্যের প্রতি খাবারের প্রতি এক ধরনের আসক্তি কাজ করে। এই কারণে দীর্ঘসময় মিষ্টিজাতীয় খাদ্য না খেলে মেজাজের পরিবর্তন ঘটে। এমনকী মিষ্টি খাদ্যের প্রতি এমন আসক্তি ডেকে আনতে পারে অবসাদের মতো সমস্যাও!
সাবধান
ক্যান্ডি, দুধ দিয়ে তৈরি মিষ্টি, সোডা, ফ্রুট জ্যুস, স্পোর্টস ড্রিংক, স্যস, মুসলি, কর্নফ্লেকস-এর মতো খাদ্যেও থাকে প্রচুর পরিমাণে লুকনো চিনি। এছাড়া এগরোল, বার্গারেও ব্যবহৃত রুটিতেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে সুগার ব্যবহার করা হয়।
চিনি হল সরল শর্করা। সরল শর্করার নানান রূপ থাকে। উদাহরণ হিসেবে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেটজাত সোডার কথা বলা যায়।
ময়দা
ময়দা বেশি খাওয়ার অর্থই হল ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলা। এছাড়া বাড়ে স্থূলত্ব, মেটাবলিক ডিজঅর্ডার। জেনে রাখুন, ডায়েটে ময়দা যোগ করার অর্থই হল রোজকার ডায়েটকে শরীরের বিপক্ষে নিয়ে যাওয়া।
দীর্ঘদিন ধরে মাত্রাতিরিক্ত ময়দা খেলে, বিভিন্ন ধরনের কগনেটিভ ইমপেয়ারমেন্ট বা আচরণগত নানা সমস্যাও তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ক্যান্সার, ডিপ্রেশন, হার্ট ডিজিজ হওয়ার আশঙ্কাও এড়ানো যায় না।
খেয়াল রাখুন
ময়দার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স হাই। ফলে খেলেই সঙ্গে সঙ্গে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই ডায়াবেটিস রোগীকে ময়দা খেতে নিষেধই করা হয়। তাই ময়দা মেশানো থাকে বা ময়দা দিয়ে তৈরি হয় এমন খাদ্য যেমন কেক, কুকিজ, পাস্তার মতো খাদ্য যথা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। এড়িয়ে চলা দরকার লুচি, পরোটার মতো খাদ্যও। বেশি খাওয়া যাবে না ময়দার তৈরি পাউরুটিও।
ময়দা মেলে রিফাইনড আটা থেকে। ফলে ময়দায় যেমন ফাইবার থাকে না তেমনই পাওয়া যায় না বি কমপ্লেক্স, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন ই-এর মতো নানা প্রয়োজনীয় ভিটামিন।
সমস্যার শেষ এখানেই নয়। ময়দার তৈরি নানা খাদ্যের স্থায়িত্ব বাড়াতে মেশানো হয় পটাশিয়াম ব্রোমেট, বেঞ্জয়েল পারঅক্সাইডের মতো উপাদান। এই ধরনের নানা উপাদান চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া খেলে তা শরীরের ভয়ঙ্কর ক্ষতি করে।
এছাড়া নানা সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ময়দার খাদ্য বেশি খেলে আসক্তি আসতে পারে। ফলে একজন ব্যক্তি আরও বেশি করে ময়দার তৈরি খাদ্য খেতে থাকেন। ময়দার তৈরি খাদ্য বেশি খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ডিপ্রেশন, ব্রণ, স্থূলত্ব, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, হার্টের সমস্যার। তাই চেষ্টা করুন কোনওভাবেই ময়দা না খেতে।
• নুন প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
• আমাদের লালাগ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে। ফলে হজমে সহায়ক এমন নানা এনজাইম বেরয়।
• মুখগহ্বরের জীবাণু নাশ করে। প্লাক দূর করে।
• ইলেকট্রোলাইটস-এর উত্স। রয়েছে একাধিক খনিজ। ফলে রক্ত সঞ্চালেনও সাহায্য করে।
সাবধান
সারাদিনে আমরা নানা ধরনের খাদ্য খাই। সেইরকম বিভিন্ন ধরনের খাদ্যে লুকনো অবস্থায় থাকে নুন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, প্যাকেটজাত নানা সামুদ্রিক খাদ্য, হ্যাম, ক্যানড ফুড, ভেজিটেবল স্যুপ, ব্রেকফাস্টে ব্যবহৃত নানা শস্যজাতীয় খাদ্য, মাখন, কটেজ চিজ, বাটার মিল্ক, স্যস, পিৎজা, নুডলস, বিরিয়ানি, পট্যাটো চিপস ইত্যাদিতে। খেয়াল রাখবেন, আমরা এমনিতেই বাড়ির রান্নায় নুন মিশিয়েই খাই। তার সঙ্গে এই ধরনের খাদ্যগুলিতেও থাকে প্রচুর নুন। ফলে আমরা যত বেশি এই ধরনের খাবার খাব, তত বেশি করে শরীরে ঢুকবে নুন। এইভাবেই অজান্তেই শরীরে প্রবেশ করে উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা! সঙ্গে হাত ধরে আসে হার্টের রোগ।
চিনি
রোজ সারা দিনে ২৫ গ্রাম বা ৬ চা চামচ মতো চিনি খাওয়া যায়। তবে এই মাত্রায় চিনি না খাওয়াই উচিত।
• সুগার বেশি খেলে ডায়াবেটিস, পিসিওডি, ডিপ্রেশন, ক্যান্সার, রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা দুর্বল হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এছাড়া দ্রুত এজিং বা শারীরিকভাবে বুড়ো হওয়ার দিকে এগিয়ে যায় মানুষ। হতে পারে ফ্যাটি লিভার, কিডনির অসুখ। এছাড়া নিয়মিত মিষ্টি খাবার খেলে মিষ্টি খাদ্যের প্রতি খাবারের প্রতি এক ধরনের আসক্তি কাজ করে। এই কারণে দীর্ঘসময় মিষ্টিজাতীয় খাদ্য না খেলে মেজাজের পরিবর্তন ঘটে। এমনকী মিষ্টি খাদ্যের প্রতি এমন আসক্তি ডেকে আনতে পারে অবসাদের মতো সমস্যাও!
সাবধান
ক্যান্ডি, দুধ দিয়ে তৈরি মিষ্টি, সোডা, ফ্রুট জ্যুস, স্পোর্টস ড্রিংক, স্যস, মুসলি, কর্নফ্লেকস-এর মতো খাদ্যেও থাকে প্রচুর পরিমাণে লুকনো চিনি। এছাড়া এগরোল, বার্গারেও ব্যবহৃত রুটিতেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে সুগার ব্যবহার করা হয়।
চিনি হল সরল শর্করা। সরল শর্করার নানান রূপ থাকে। উদাহরণ হিসেবে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেটজাত সোডার কথা বলা যায়।
ময়দা
ময়দা বেশি খাওয়ার অর্থই হল ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলা। এছাড়া বাড়ে স্থূলত্ব, মেটাবলিক ডিজঅর্ডার। জেনে রাখুন, ডায়েটে ময়দা যোগ করার অর্থই হল রোজকার ডায়েটকে শরীরের বিপক্ষে নিয়ে যাওয়া।
দীর্ঘদিন ধরে মাত্রাতিরিক্ত ময়দা খেলে, বিভিন্ন ধরনের কগনেটিভ ইমপেয়ারমেন্ট বা আচরণগত নানা সমস্যাও তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ক্যান্সার, ডিপ্রেশন, হার্ট ডিজিজ হওয়ার আশঙ্কাও এড়ানো যায় না।
খেয়াল রাখুন
ময়দার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স হাই। ফলে খেলেই সঙ্গে সঙ্গে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই ডায়াবেটিস রোগীকে ময়দা খেতে নিষেধই করা হয়। তাই ময়দা মেশানো থাকে বা ময়দা দিয়ে তৈরি হয় এমন খাদ্য যেমন কেক, কুকিজ, পাস্তার মতো খাদ্য যথা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। এড়িয়ে চলা দরকার লুচি, পরোটার মতো খাদ্যও। বেশি খাওয়া যাবে না ময়দার তৈরি পাউরুটিও।
ময়দা মেলে রিফাইনড আটা থেকে। ফলে ময়দায় যেমন ফাইবার থাকে না তেমনই পাওয়া যায় না বি কমপ্লেক্স, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন ই-এর মতো নানা প্রয়োজনীয় ভিটামিন।
সমস্যার শেষ এখানেই নয়। ময়দার তৈরি নানা খাদ্যের স্থায়িত্ব বাড়াতে মেশানো হয় পটাশিয়াম ব্রোমেট, বেঞ্জয়েল পারঅক্সাইডের মতো উপাদান। এই ধরনের নানা উপাদান চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া খেলে তা শরীরের ভয়ঙ্কর ক্ষতি করে।
এছাড়া নানা সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ময়দার খাদ্য বেশি খেলে আসক্তি আসতে পারে। ফলে একজন ব্যক্তি আরও বেশি করে ময়দার তৈরি খাদ্য খেতে থাকেন। ময়দার তৈরি খাদ্য বেশি খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ডিপ্রেশন, ব্রণ, স্থূলত্ব, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, হার্টের সমস্যার। তাই চেষ্টা করুন কোনওভাবেই ময়দা না খেতে।
লেখক: রুবি হাসপাতালের জেনারেল ফিজিশিয়ান



