ইসলামাবাদ, ২৮ ডিসেম্বর: একইসঙ্গে স্বাধীন হওয়া দুই দেশ- ভারত ও পাকিস্তান। একদিকে ভারত যখন আর্থিক ভাবে বিশ্বের তাবড় শক্তিগুলোকে পিছনে ফেলতে মরিয়া, তখন পাকিস্তানিরা তপ্ত হচ্ছে মুদ্রাস্ফীতির আঁচে। অবস্থা এমন যে, পাক জনতাকে চিকেন কিনতে হচ্ছে ৪২০ টাকা কেজিতে। সম্প্রতি, পাকিস্তানের পেশোয়ারে চিকেনের এই দড় রেকর্ড গড়েছে। ফলে পাকিস্তানি সরকারের বিরুদ্ধে কার্যত ক্ষোভে ফুঁসছে নাগরিকরা।
Advertisement
পেশোয়ারের ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, পাঞ্জাব প্রদেশ থেকে মুরগির রপ্তানি কমতেই চিকেনের দাম আগুন। এক্ষেত্রে পাক সরকারও দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ বলে তোপ দাগছেন ব্যবসায়ীরা। এমনকী সরবরাহ পরিষেবা বিঘ্নিত হলে দাম আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
একাধিক রিপোর্টে দাবি, ডিসেম্বরে পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতির হার ৫ শতাংশের আশেপাশে থাকতে পারে। কিন্তু বাস্তবে খাতায় কলমের তুলনায় পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের অবস্থা আরও করুণ। চিকেনের পাশাপাশি মহার্ঘ্য আটা, চিনি, দুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীও!
এছাড়াও, মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পাকিস্তানে বাড়ছে বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের হারও। অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি, অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ইসলামাবাদের ভুল আর্থিক নীতির জেরে ক্রমশ আর্থিক সংকটের কালো পাঁকে ডুবেই চলেছে পাকিস্তান।
একাধিক রিপোর্টে দাবি, ডিসেম্বরে পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতির হার ৫ শতাংশের আশেপাশে থাকতে পারে। কিন্তু বাস্তবে খাতায় কলমের তুলনায় পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের অবস্থা আরও করুণ। চিকেনের পাশাপাশি মহার্ঘ্য আটা, চিনি, দুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীও!
এছাড়াও, মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পাকিস্তানে বাড়ছে বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের হারও। অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি, অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ইসলামাবাদের ভুল আর্থিক নীতির জেরে ক্রমশ আর্থিক সংকটের কালো পাঁকে ডুবেই চলেছে পাকিস্তান।



