নয়াদিল্লি: রাজধানীর ক্ষমতা দখল করতে প্রথম থেকেই মহিলা ভোটব্যাঙ্ককে টার্গেট করেছিল আম আদমি পার্টি, বিজেপি থেকে শুরু করে প্রতিটি রাজনৈতিক দল। বিধানসভা ভোটের প্রচার, নির্বাচনী ইস্তাহার, সবেতেই মহিলাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল। বাংলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আদলে নিজেদের মতো করে নয়া প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেছিল দলগুলি। একইভাবে মহিলাদের ভোটদানের হারও ছিল চমকপ্রদ। কিন্তু ফল ঘোষণার পর সব সমীকরণই যেন বদলে গেল। গত ১০ বছরে দিল্লি বিধানসভায় মহিলা সদস্য সংখ্যা এবারই সর্বনিম্ন। রাজধানী পেতে চলেছে সবমিলিয়ে গোটা পাঁচেক মহিলা বিধায়ক।
Advertisement
এবারের নির্বাচনে তরুণ বিধায়কদের হারও কমেছে। ২০২০ সালে মোট বিধায়কের ২৩ শতাংশ ছিল তরুণ বিধায়ক। যাঁদের বয়স ২৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। এবার দশ শতাংশ কমে তা দাঁড়িয়েছে ১৩ শতাংশে।
এবার রাজধানীর বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন মোট ৬৯৯ জন। তাঁদের মধ্যে ৯৬ জন মহিলা। যা ২০২০ সালের তুলনায় বেশি। আপ ও বিজেপি ৯ জন এবং কংগ্রেস ৭ মহিলাকে টিকিট দিয়েছিল। কিন্তু জয় পেলেন সাকুল্যে পাঁচ জন। তালিকায় রয়েছেন আপের একমাত্র আতিশী। বাকি চার জন গেরুয়া শিবিরের। অথচ ১৯৯৩ সালের পর এবারই সবচেয়ে বেশি মহিলা ভোট দিয়েছিলেন। মহিলাদের ভোটদানের হার ছিল ৬০.৯ শতাংশ। ভোটারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও মহিলা বিধায়কের সংখ্যায় তার কোনও প্রভাব পড়েনি।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৯৩ সালে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন মাত্র তিনজন মহিলা। ১৯৯৮ সালে সংখ্যাটি ছিল ৯। এরপর ২০০৩ সালে কমে হয় সাত। ২০০৮ ও ১৩ সালে তিনজন এবং ২০১৫ সালে ছ’জন মহিলা নির্বাচিত হন। ২০২০ সালে সংখ্যাটি বেড়ে হয় আটজন। এবার তা কমে মাত্র পাঁচে।
এবার রাজধানীর বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন মোট ৬৯৯ জন। তাঁদের মধ্যে ৯৬ জন মহিলা। যা ২০২০ সালের তুলনায় বেশি। আপ ও বিজেপি ৯ জন এবং কংগ্রেস ৭ মহিলাকে টিকিট দিয়েছিল। কিন্তু জয় পেলেন সাকুল্যে পাঁচ জন। তালিকায় রয়েছেন আপের একমাত্র আতিশী। বাকি চার জন গেরুয়া শিবিরের। অথচ ১৯৯৩ সালের পর এবারই সবচেয়ে বেশি মহিলা ভোট দিয়েছিলেন। মহিলাদের ভোটদানের হার ছিল ৬০.৯ শতাংশ। ভোটারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও মহিলা বিধায়কের সংখ্যায় তার কোনও প্রভাব পড়েনি।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৯৩ সালে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন মাত্র তিনজন মহিলা। ১৯৯৮ সালে সংখ্যাটি ছিল ৯। এরপর ২০০৩ সালে কমে হয় সাত। ২০০৮ ও ১৩ সালে তিনজন এবং ২০১৫ সালে ছ’জন মহিলা নির্বাচিত হন। ২০২০ সালে সংখ্যাটি বেড়ে হয় আটজন। এবার তা কমে মাত্র পাঁচে।



