সংবাদদাতা, কল্যাণী: কল্যাণী অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সাইন্সেস (এইমস)-এর চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী কর্মীদের বিক্ষোভ বুধবারেও অব্যাহত ছিল। মঙ্গলবার দুপুর থেকে এইমসের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অস্থায়ী কর্মীরা টানা অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যান। তার ফলে চিকিৎসা পরিষেবা কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। আন্দোলনকারী কর্মীদের মূল দাবি, সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ‘মাদার’ কোম্পানির হয়েই তাঁরা কাজ করবেন এবং সঠিক সময়ে তাঁদের বেতন দিতে হবে। বর্তমানে যে প্রাইভেট কোম্পানিতে তাঁরা নিযুক্ত, ওই সংস্থাটি অন্য রাজ্যে ‘কালো’ তালিকাভুক্ত। তাই ওই কম্পানির হয়ে তাঁরা আর কাজ করবেন না। এছাড়া ডিউটি করার পর একমাস পেরিয়ে গেলেও তাঁরা বেতন পাননি।
Advertisement
এই ইস্যুতে এর আগেও একাধিকবার বিক্ষোভ হয়েছে কিন্তু কোনও সুরাহা মেলেনি। তাই ফের মঙ্গলবার দুপুর থেকে এইমসের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তাঁরা। এইমসে মোট ৫৩৬ জন অস্থায়ী কর্মী কাজ করেন। গতকাল ঘণ্টা দুই এইমস ডিরেক্টর রামজি সিংকে তাঁর ঘরে আটকেও রাখা হয়। পরে অবশ্য পুলিসের হস্তক্ষেপে ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। এদিন ডিরেক্টরকে আর আলাদাভাবে ঘেরাও করা হয়নি। বিকেলের পর প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকেও মেলেনি কোনও সুরাহা। ফলে বিক্ষোভ চলেছে।
এই বিষয়ে অস্থায়ী কর্মী সঞ্জয় মিস্ত্রি বলেন, কর্তৃপক্ষ বলেছে যে-সংস্থায় আমরা কাজ করতাম আমাদের থাকতে হবে সেখানেই, নয়তো এইমস কল্যাণী নাকি বন্ধ করে দিতে হবে! আমরাও পাল্টা জানিয়ে দিয়েছি, ‘কালো’ তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে কোনোভাবেই কাজ করব না। আমাদের দাবি না মানা হলে লাগাতার অবস্থান বিক্ষোভই চলবে। দু’মাস ধরে বেতন পাচ্ছি না আমরা। এরপর পরিবারের সদস্যরাও এসেও ধর্নায় বসবেন। যদিও এই বিষয়ে এদিন এইমস কর্তৃপক্ষের কোনও বক্তব্য মেলেনি।-নিজস্ব চিত্র
এই বিষয়ে অস্থায়ী কর্মী সঞ্জয় মিস্ত্রি বলেন, কর্তৃপক্ষ বলেছে যে-সংস্থায় আমরা কাজ করতাম আমাদের থাকতে হবে সেখানেই, নয়তো এইমস কল্যাণী নাকি বন্ধ করে দিতে হবে! আমরাও পাল্টা জানিয়ে দিয়েছি, ‘কালো’ তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে কোনোভাবেই কাজ করব না। আমাদের দাবি না মানা হলে লাগাতার অবস্থান বিক্ষোভই চলবে। দু’মাস ধরে বেতন পাচ্ছি না আমরা। এরপর পরিবারের সদস্যরাও এসেও ধর্নায় বসবেন। যদিও এই বিষয়ে এদিন এইমস কর্তৃপক্ষের কোনও বক্তব্য মেলেনি।-নিজস্ব চিত্র



