


• বেনজির। শুক্রবার ইমপার বৈঠকে চরম অশান্তি, বিশৃঙ্খলা। তার জেরে ভেস্তে গেল বৈঠক। শেষে অসুস্থ বোধ করায় হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় ইমপা’র সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তকে। পরে অবশ্য ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে।
২২ মে বৈঠকের ঘোষণা আগেই করেছিলেন পিয়া। রাজ্যে পালাবদলের পর ইমপা সভাপতির পদত্যাগের দাবি উঠেছিল। এদিনের বৈঠকে সে বিষয়ে আলোচনার কথা ছিল। পূর্ব ঘোষণা মতো শুক্রবার বৈঠকে উপস্থিত হন পিয়া। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তৈরি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। পিয়ার অভিযোগ, ইমপার সদস্য নন এমন কিছু বাইরের লোক ঢুকে পড়েছিলেন মিটিংয়ে। এদিন তাঁর দিকে পরিচালক অতনু বোস সহ আরও অনেকে তেড়ে আসেন বলেও অভিযোগ করেন ইমপা সভাপতি। পিয়া জানান, তাঁকে হেনস্তা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘অনেক সহ্য করেছি। বহু দিন ধরে এসব ঘটছে। এটা কী রাজনৈতিক দলের পার্টি অফিস! এবার আমি থানায় যাব।’ এদিন বিরোধী পক্ষের প্রযোজকদের তরফে ইমপার অফিসে ভোটাভুটির কথা জানানো হয়েছিল। সেখানে সামনে উঠে এসেছিল শতদীপ ও রতন সাহার নাম। যদিও এ প্রসঙ্গে পরে তাঁরা কোনো মন্তব্য করেননি। এদিকে, ইমপার সেক্রেটারি আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়ে বেশ কিছু ফাইলে সই করানোর অভিযোগ উঠেছে। কিছু ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যেতে চান পিয়া। যদিও সেগুলো অন্য ফাইল বলে দাবি করেন তিনি। তখনই বিরোধী পক্ষের প্রযোজকদের তরফে ‘ফাইল চোর’ বলে কটাক্ষ করা হয়। সূত্রের খবর, ফাইল নিয়ে বেরতে পারেননি পিয়া। যদিও শতদীপের দাবি, ফাইল পাওয়া যায়নি। পিয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সব মিথ্যা কথা। সিসি ক্যামেরায় সমস্ত রেকর্ড রয়েছে।’ নতুন সরকার গঠনের পর পিয়ার পদত্যাগের দাবি জোরাল হয়েছে। ইমপার অভ্যন্তরীণ সমস্যার সমাধান কোন পথে, সেদিকেই তাকিয়ে টলিউড।