Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৬ মাসের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল আটজন মদ্যপ চালকের

কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েকে দুর্ঘটনামুক্ত করতে কঠোর পদক্ষেপের পথে হাঁটল বারাকপুর কমিশনারেট। পুজোর দিনগুলিতে মদ্যপান করে গাড়ি চালানো এবং আইন মেনে পুলিশের শুনানিতে হাজির না হওয়ায় আটজন বাইক চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ৬ মাসের জন্য বাতিল করা হয়েছে।

৬ মাসের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল আটজন মদ্যপ চালকের
  • ১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েকে দুর্ঘটনামুক্ত করতে কঠোর পদক্ষেপের পথে হাঁটল বারাকপুর কমিশনারেট। পুজোর দিনগুলিতে মদ্যপান করে গাড়ি চালানো এবং আইন মেনে পুলিশের শুনানিতে হাজির না হওয়ায় আটজন বাইক চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ৬ মাসের জন্য বাতিল করা হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের পদস্থ কর্তাদের কাছে ১৩ জন ভুল স্বীকার ও ক্ষমা প্রার্থনা করায় তাদের সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

ডিসি (ট্রাফিক) অম্লানকুসুম ঘোষ বলেন, ‘মদ খেয়ে গাড়ি চালানো বন্ধ করতে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। চালকদের পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। পথ দুর্ঘটনা রোখাই একামাত্র লক্ষ্য। পুজোর সময় মদ খেয়ে গাড়ি চালানোর জন্য ২১জনের নামে মামলা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ১৩ জন শুনানিতে হাজির হয়ে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন। মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ওই ১৩ জনকে প্রথমবার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। যাঁরা শুনানিতে আসেননি, তাঁদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ৬ মাস সাসপেন্ড করা হয়েছে।’ 
প্রসঙ্গত, দুর্গাপুজোর শুরুতেই কার্যত মরণফাঁদের চেহারা নিয়েছিল কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে। প্রথম তিনদিনে মৃত্যু হয়েছিল আট বাইক আরোহীর। কিন্তু পুলিশ কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতেই অষ্টমী থেকে দ্বাদশী পর্যন্ত একজনেরও মৃত্যু হয়নি। অতিরিক্ত গতিতে বাইক ও গাড়ি চালানো, মদ্যপান করে গাড়ি চালানো সহ নানা বেনিয়মের অভিযোগে পাঁচ হাজারের বেশি মামলা করা হয়েছিল। শুক্রবার প্রথম দফায় মদ খেয়ে গাড়ি চালানোয় অভিযুক্ত ২১জনকে নোটিশ দিয়ে বারাকপুর মহকুমা পরিবহণ দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে পরিবহণ দপ্তর ও পুলিশের আধিকারিকরা হাজির ছিলেন। সেখানে হাজির ১৩ জনকে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়। শর্ত হিসেবে বলা হয়, প্রত্যেককে নিজ নিজ এলাকায় পথ নিরাপত্তার প্রচার করতে হবে। তার প্রমাণও পাঠাতে হবে। হাজির না হওয়া আটজনের লাইসেন্স ৬ মাসের জন্য বাতিল করা হয়। সেই নির্দেশের কপি ওই চালকরা যে এলাকার বাসিন্দা, সেখানকার পঞ্চায়েত বা পুরসভা ও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক গার্ডকে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ