ওয়াশিংটন: নতুন ইতিহাস গড়লেন প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট। হোয়াইট হাউসের চিফ অফ স্টাফ পদে এই প্রথম মহিলাকে নিয়োগ করলেন তিনি। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ঘোষণা করেন, হোয়াইট হাউসের পরবর্তী চিফ অফ স্টাফ হতে চলেছেন সুজি ওয়াইলস। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ট্রাম্পের যাবতীয় প্রচারের ভার ছিল তাঁরই কাঁধে। সূত্রের খবর, ট্রাম্প তাঁকে ভয় পান ও যথেষ্ট সমীহ করে চলেন।
Advertisement
নিজের সেকেন্ড ইনিংসের শুরু থেকেই একের পর এক কৌশলী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিআইএ প্রধান হিসেবে কাশ্যপ প্যাটেলের নাম নিয়ে জল্পনার মধ্যেই এবার সবাইকে চমকে দিয়ে নিজের ক্যাম্পেন ম্যানেজারকেই হোয়াইট হাউসের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের ভার সামলানোর দায়িত্ব দিলেন। এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, সুজি দক্ষ ও সৃজনশীল। তিনি সব জায়গায় প্রশংসিত ও সম্মানিত। আমেরিকাকে ফের শ্রেষ্ঠত্বের আসনে বসাতে আমাদের যে পরিকল্পনা, তা নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন সুজি। তিনি আরও বলেন, ‘আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম মহিলা হিসেবে চিফ অফ স্টাফ হওয়ার মতো সম্মান নিজের দক্ষতায় অর্জন করেছেন সুসি।’
কেরিয়ারের একটি দীর্ঘ সময়জুড়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠবৃত্তে রয়েছেন সুজি ওয়াইলস। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন পর্বে প্রেসিডেন্ট ইলেক্টের অত্যন্ত শৃঙ্খলাপরায়ণ ও সুপরিকল্পিত প্রচারের জন্য প্রশংসিত হয়েছেন সুজি। রিপাবলিকান প্রার্থী জিতলে তিনি কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদ পেতে পারেন বলে জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেটাই সত্যি হল। এবারের নির্বাচনে ট্রাম্পের থেকে বিতর্ককে দূরে রাখার লক্ষ্যে সফল সুজি। তাঁর চাপেই সম্ভবত ট্রাম্প নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন।
ট্রাম্পের প্রচারের পুরো রাশ তাঁর হাতে থাকলেও প্রায় কখনই সুজিকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। কারণ, তিনি একদমই ক্যামেরা ফ্রেন্ডলি নন। সামনে আসার তুলনায় অন্তরালে থেকেই নিজের কাজ করতে পছন্দ করেন। এমনকী, গত বুধবার ট্রাম্প যখন আগাম বিজয় উৎসব পালন করছিলেন, তখনও মঞ্চে এসে বক্তব্য রাখতে রাজি হননি সুসি।
নির্বাচন পর্বে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে সামলালেও এই নতুন দায়িত্ব সুজির জন্য খুব সহজ হবে না বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের। হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের প্রধান দায়িত্ব প্রেসিডেন্টের প্রশাসনিক কাজ সামলানো। কিন্তু এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কাজের কোনও পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই তাঁর। ট্রাম্পের প্রতি আনুগত্য থেকেই এই পদ পেয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ইলেক্টের ভরসা বজায় রেখে সুজি কীভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করতে পারেন, আপাতত সেদিকেই নজর ওয়াশিংটন ডিসির।
কেরিয়ারের একটি দীর্ঘ সময়জুড়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠবৃত্তে রয়েছেন সুজি ওয়াইলস। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন পর্বে প্রেসিডেন্ট ইলেক্টের অত্যন্ত শৃঙ্খলাপরায়ণ ও সুপরিকল্পিত প্রচারের জন্য প্রশংসিত হয়েছেন সুজি। রিপাবলিকান প্রার্থী জিতলে তিনি কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদ পেতে পারেন বলে জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেটাই সত্যি হল। এবারের নির্বাচনে ট্রাম্পের থেকে বিতর্ককে দূরে রাখার লক্ষ্যে সফল সুজি। তাঁর চাপেই সম্ভবত ট্রাম্প নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন।
ট্রাম্পের প্রচারের পুরো রাশ তাঁর হাতে থাকলেও প্রায় কখনই সুজিকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। কারণ, তিনি একদমই ক্যামেরা ফ্রেন্ডলি নন। সামনে আসার তুলনায় অন্তরালে থেকেই নিজের কাজ করতে পছন্দ করেন। এমনকী, গত বুধবার ট্রাম্প যখন আগাম বিজয় উৎসব পালন করছিলেন, তখনও মঞ্চে এসে বক্তব্য রাখতে রাজি হননি সুসি।
নির্বাচন পর্বে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে সামলালেও এই নতুন দায়িত্ব সুজির জন্য খুব সহজ হবে না বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের। হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের প্রধান দায়িত্ব প্রেসিডেন্টের প্রশাসনিক কাজ সামলানো। কিন্তু এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কাজের কোনও পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই তাঁর। ট্রাম্পের প্রতি আনুগত্য থেকেই এই পদ পেয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ইলেক্টের ভরসা বজায় রেখে সুজি কীভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করতে পারেন, আপাতত সেদিকেই নজর ওয়াশিংটন ডিসির।



