মুম্বই: তৃতীয় টেস্ট জিতে মুখরক্ষা হবে তো! দ্বিতীয় দিনের শেষে ম্যাচের রাশ যতই রোহিত শর্মার হাতে থাকুক, টেনশনমুক্ত নন সমর্থকরা। ভারতীয় শিবিরেও উৎকণ্ঠার চোরাস্রোত। ওয়াংখেড়ের পিচ দেখে মনে হচ্ছে, রবিবার রান তাড়া করা মোটেই সহজ হবে না। নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে তিন উইকেট নেওয়া রবিচন্দ্রন অশ্বিনের কণ্ঠে সেই সুর। ‘আশা করছি, বিপক্ষ ইনিংসে খুব তাড়াতাড়ি দাঁড়ি ফেলতে পারব। প্রতিটি রান বাঁচানোর মূল্য এখানে অপরিসীম। কারণ, চতুর্থ ইনিংসে রান তাড়া করা রীতিমতো কঠিন হতে চলেছে। জেতার জন্য আমাদের ভালো ব্যাটিং করতে হবে।’ ভারতের প্রথম ইনিংসে ৯০ রান করা শুভমান গিল জোর দিচ্ছেন জুটি গড়ায়। তাঁর কথায়, ‘১৫০ বা ১৬০, টার্গেট যাই হোক না কেন, একটা বড় পার্টনারশিপ দরকার। কোনও জুটিতে ৭০-৮০ রান উঠলে বিপক্ষ চাপে পড়তে বাধ্য। আমরা সেই চেষ্টাই করব।’
Advertisement
ওয়াংখেড়ের পিচ কিছুটা অবাক করেছে অশ্বিনকে। তিনি বলেছেন, ‘আমি আরও বেশি বাউন্স ও গতি আশা করেছিলাম। কিন্তু যা ভেবেছিলাম তার থেকে মন্থর ছিল পিচ। এটা মোটেই মুম্বইয়ের চিরাচরিত পিচ নয়।’ ক্যারম বলে দুই উইকেট নেওয়া প্রসঙ্গে অ্যাশের মন্তব্য, ‘প্যাভিলিয়ন এন্ডে বল পড়ে ঘুরছে। ড্রেসিং-রুম এন্ডে আবার অন্যরকম হচ্ছে। সামান্য বাউন্স, বল ঘুরছেও কম। ব্যাটাররা সেটা জানত। আমি তাই ওই প্রান্ত থেকে বোলিংয়ের সময় অন্যরকম কিছু করতে চেয়েছিলাম।’ ড্যারিল মিচেলের ক্যাচ নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বলের যতটা সম্ভব কাছে যাওয়াই ছিল লক্ষ্য। নিজের উপর ভরসা ছিল যে, ক্যাচটা আয়ত্তে এলে ধরে রাখতে পারব।’
অন্যদিকে, ভারতের প্রথম ইনিংসে শতরানের দোরগোড়া থেকে ফেরা নিয়ে আক্ষেপ নেই শুভমান গিলের। তাঁর বক্তব্য, ‘টেস্টে এটা আমার সেরা ইনিংসগুলোর অন্যতম। উপভোগ করেছি প্রতিটি মুহূর্ত। বড় রান করার প্রত্যাশা চাপিয়ে দিইনি নিজের উপর। উল্টোদিকে ঋষভ ঝোড়ো ব্যাটিং করায় আমার কাজটা সহজ হয়ে গিয়েছিল।’
অন্যদিকে, ভারতের প্রথম ইনিংসে শতরানের দোরগোড়া থেকে ফেরা নিয়ে আক্ষেপ নেই শুভমান গিলের। তাঁর বক্তব্য, ‘টেস্টে এটা আমার সেরা ইনিংসগুলোর অন্যতম। উপভোগ করেছি প্রতিটি মুহূর্ত। বড় রান করার প্রত্যাশা চাপিয়ে দিইনি নিজের উপর। উল্টোদিকে ঋষভ ঝোড়ো ব্যাটিং করায় আমার কাজটা সহজ হয়ে গিয়েছিল।’



