Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

এই ম্যাচে এগিয়ে মোহন বাগানই

এই ম্যাচে এগিয়ে মোহন বাগানই
  • ১০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
করিম বেঞ্চারিফা: ম্যাচ জিততে চান্স ফ্যাক্টরের পাশাপাশি ভাগ্যের জোরও প্রয়োজন। আমি মনেপ্রাণে তা বিশ্বাস করি। আপশোস হয়, ভাগ্য সহায় থাকলে গুয়াহাটির সেই ডার্বি জিতেই মাঠ ছাড়তে পারতাম। ২০০৯ সাল। বছরের শেষ সন্ধ্যায় ফেডারেশন কাপ সেমি-ফাইনাল। তার উপর ডার্বি। এর কয়েক মাস আগেই ইস্ট বেঙ্গলকে ৫-৩ গোলে হারায় মোহন বাগান। সবুজ-মেরুন সমর্থকরা আজীবন তা মনে রাখবেন। ফেড কাপ মোহন বাগানের পয়া টুর্নামেন্ট। চিডি-ব্যারেটোদের ঘিরে প্রত্যাশা ছিল তুঙ্গে। কিন্তু ওই যে, ফুটবল দেবতার আশীর্বাদ সেদিন আমাদের উপর ছিল না। স্পটকিক থেকে লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হয় ব্যারেটো। ব্যক্তিগত ধারণা, সেদিন বল আর তিন ইঞ্চি ভিতরে থাকলে ম্যাচের রংই বদলে যেত। আসলে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে এই ধরনের মুহূর্ত পার্থক্য গড়ে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধে ইয়াকুবুর গোলের পর চেষ্টা করেও আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারিনি। সেই আক্ষেপ আজও কুরে কুরে খায়।
Advertisement
কলকাতা ডার্বির মেজাজই আলাদা। ম্যাচের কয়েকদিন আগেই বদলে যায় আবহ। গোলের আব্দার, ম্যাচ জেতার আকুতি। সমর্থকদের হাঁটু কাঁপানো গর্জন বুঝিয়ে দেয় ডার্বি মাহাত্ম্য। এবার যুবভারতীর বদলে ভেন্যু সেই গুয়াহাটি। ঘরের মাঠে স্টুয়ার্টদের জন্য গলা ফাটানোর সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় সমর্থকরা নিশ্চই হতাশ। তবে আমি নিশ্চিত, ম্যাচ জিতে অনুরাগীদের মুখে হাসি ফোটাবে হোসে মোলিনার দল। মোহন বাগানের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স অনেক বেশি ঝলমলে। ব্যক্তিগত নৈপুণ্য কাজে লাগিয়ে ঝাঁকুনি দেওয়ার ফুটবলার রয়েছে। কাগজে-কলমে দেশের সেরা স্কোয়াড। ম্যাচ জেতানোর একাধিক ফুটবলার রয়েছে। কামিংস, লিস্টনরা যে কোনও মুহূর্তে লক্ষ্যভেদের ক্ষমতা রাখে। এখানেই এগিয়ে মোহন বাগান। দ্রুত গোল পেলে বাড়তি অ্যাডভান্টেজ পাবে মোলিনার দল। পাশাপাশি প্রতিটা মুহূর্তে ফোকাস ধরে রাখা জরুরি। মনঃসংযোগ হারালেই সমস্যা। এই মোহন বাগানে পরিণত ফুটবলারের সংখ্যা বেশি। তারা জানে, কীভাবে কঠিন ম্যাচ জিততে হয়।
সম্পর্কিত সংবাদ