সঞ্জয় সরকার, কলকাতা: আইএসএলের সুপার সিক্সের স্বপ্ন আগেই শেষ হয়েছে। এবার এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগেও হারের আঁধারে ইস্ট বেঙ্গল। বুধবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগে আর্কাদাগের কাছে ০-১ গোলে বশ মানল অস্কার-ব্রিগেড। ১০ মিনিটে লাল-হলুদ ডিফেন্সের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে তুর্কমেনিস্তানের ক্লাবটিকে এগিয়ে দেন গুরবানোভ ইয়াগলিচ। পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরা তো দূর অস্ত, সেভাবে সুযোগই তৈরি করতে ব্যর্থ ইস্ট বেঙ্গল অ্যাটাকাররা। আগামী বুধবার ফিরতি পর্বে ফের লড়াইয়ে নামবে দু’দল। পরের রাউন্ডে পৌঁছতে হলে অ্যাওয়ে ম্যাচে দু’গোলের ব্যবধানে জিততে হবে অস্কার-ব্রিগেডকে। তবে এই দল যেন জেতার খিদেটাই হারিয়ে গিয়েছে। তাই তো ম্যাচ শেষে টিম ম্যানেজেন্টের উপর ক্ষোভ উগড়ে দিলেন সমর্থকরা। তাদের প্রশ্ন, ‘আইএসএলে টানা পাঁচ মরশুম দল ব্যর্থ। এবার এএফসি’তে ঘরের মাঠে মুখ পুড়ল। আর কবে ঘুম ভাঙবে?’ শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারও দলের এই পারফরম্যান্সে হতাশ। তিনি বলেন, ‘সমর্থকদের মনের অবস্থা বুঝতে পারছি। ওদের মতো আমারও কান্না পাচ্ছে। কিন্তু ফুটবলাররা এভাবে গোল মিস করলে কী আর করা যাবে।’
Advertisement
শেষ ১২ দিনে ৪টি ম্যাচ! ৭২ ঘণ্টা আগেই বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটে গোল হজম করে আইএসএলের প্লে-অফের দৌড় থেকে ছিটকে যায় ইস্ট বেঙ্গল। ক্লান্তির পাশাপাশি সেই হতাশাও কাটিয়ে উঠতে ব্যর্থ মেসি বৌলিরা। চোটের কারণে আনোয়ার আলির না থাকায় রক্ষণের কঙ্কালসার চেহারা আরও একবার বেরিয়ে আসে। ১০ মিনিটে ইউস্তের মিস ক্লিয়ারেন্সের খেসারত দিতে হয় লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। শানাজারের পাস ধরে বক্সের বাইরে থেকে ডানপায়ের দুরন্ত শটে আর্কাদাগকে এগিয়ে দেন গুরবানোভ (১-০)। শেষ পর্যন্ত এই গোলই ম্যাচে ব্যবধান গড়ে দিল।
পিছিয়ে পড়েও ইস্ট বেঙ্গল ফুটবলারদের মধ্যে লড়াইয়ে ফেরার তাগিদ লক্ষ্য করা যায়নি। বরং সময় গড়ানোর সঙ্গে গ্যালারিতে বেড়েছে হতাশা। ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল আর্কাদাগের সামনে। ৪৫ মিনিটে গুরবানোভের হেড রুখে দেন প্রভসুখন। পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের ভুল কাজে লাগাতে পারেননি মেসি। এদিন গোটা ম্যাচে কার্যত নিজের ছায়া হয়েই থাকলেন দিমামানতাকোস। ৫৪ মিনিটে গোল ছেড়ে বেরিয়ে এসে গিল আরও একবার রক্ষাকর্তা না হলে ব্যবধান বাড়তে পারত। সেলিস এতটাই বিবর্ণ ছিলেন যে, ৭১ মিনিটে তাঁকে তুলে বিষ্ণুকে মাঠে নামাতে বাধ্য হন লাল-হলুদ কোচ। ঘরের মাঠে হার এড়াতে মরিয়া অস্কার ৮৩ মিনিটে ক্লেটনকে নামিয়ে শেষ চেষ্টা চালান। তবে আধাফিট ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার সেরা সময় অনেক আগেই পেরিয়ে গিয়েছেন। তাঁকে দিয়ে আর যাই হোক, গোল হবে না!
ইস্ট বেঙ্গল: প্রভসুখন, রাকিপ (নিশু), জিকসন, হেক্টর, লালচুংনুঙ্গা, শৌভিক, মহেশ, সাউল, সেলিস (বিষ্ণু), মেসি বৌলি ও দিয়ামানতাকোস (ক্লেটন)।
পিছিয়ে পড়েও ইস্ট বেঙ্গল ফুটবলারদের মধ্যে লড়াইয়ে ফেরার তাগিদ লক্ষ্য করা যায়নি। বরং সময় গড়ানোর সঙ্গে গ্যালারিতে বেড়েছে হতাশা। ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল আর্কাদাগের সামনে। ৪৫ মিনিটে গুরবানোভের হেড রুখে দেন প্রভসুখন। পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের ভুল কাজে লাগাতে পারেননি মেসি। এদিন গোটা ম্যাচে কার্যত নিজের ছায়া হয়েই থাকলেন দিমামানতাকোস। ৫৪ মিনিটে গোল ছেড়ে বেরিয়ে এসে গিল আরও একবার রক্ষাকর্তা না হলে ব্যবধান বাড়তে পারত। সেলিস এতটাই বিবর্ণ ছিলেন যে, ৭১ মিনিটে তাঁকে তুলে বিষ্ণুকে মাঠে নামাতে বাধ্য হন লাল-হলুদ কোচ। ঘরের মাঠে হার এড়াতে মরিয়া অস্কার ৮৩ মিনিটে ক্লেটনকে নামিয়ে শেষ চেষ্টা চালান। তবে আধাফিট ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার সেরা সময় অনেক আগেই পেরিয়ে গিয়েছেন। তাঁকে দিয়ে আর যাই হোক, গোল হবে না!
ইস্ট বেঙ্গল: প্রভসুখন, রাকিপ (নিশু), জিকসন, হেক্টর, লালচুংনুঙ্গা, শৌভিক, মহেশ, সাউল, সেলিস (বিষ্ণু), মেসি বৌলি ও দিয়ামানতাকোস (ক্লেটন)।
ইস্ট বেঙ্গল- ০ : আর্কাদাগ- ১
(গুরবানোভ)
(গুরবানোভ)



