Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬

বেদান্ত গোষ্ঠীর একাধিক অফিসে অভিযান ইডির

বেদান্ত গোষ্ঠীর একাধিক অফিসে ইডির অভিযান শুরু হয়েছে ফেমা লঙ্ঘনের অভিযোগে। তদন্তে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংস্থাটি। বিস্তারিত পড়ুন।

বেদান্ত গোষ্ঠীর একাধিক অফিসে অভিযান ইডির
  • ৩ জুন, ২০২৬ ০৪:০০

নয়াদিল্লি: বিদেশি মুদ্রা বিনিময় আইন (ফেমা) লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে বেদান্ত গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। সেই মামলার তদন্তে মঙ্গলবার দিল্লি, মুম্বই, সহ দেশের একাধিক শহরে থাকা তাদের অফিসে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির কথা স্বীকার করে বেদান্তর পক্ষ থেকে তদন্তে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ‘দেশের সব আইন মেনে চলতে আমাদের সংস্থা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধাতু এবং বিরল জটিল খনিজ উৎপাদক সংস্থা বেদান্ত। ভারত, আফ্রিকা, পশ্চিম এশিয়া, পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে রয়েছে তাদের ব্যবসা। গত মাসেই বেদান্ত গোষ্ঠীর মালিকানাধীন একাধিক কোম্পানিকে সংযুক্ত করার ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র। তারা যখন নতুন করে ব্যবসা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে তখনই ইডির হানা। সূত্রের খবর, বেদান্তের অভিভাবক সংস্থা বেদান্ত রিসোর্স। তাদের রয়্যালটি দেওয়া নিয়ে যাবতীয় অভিযোগের সূত্রপাত। অনিল আগরওয়ালের সংস্থা বেদান্ত লিমিটেড ভারতে নথিভুক্ত সংস্থা। এর বাজার মূল্য ১.৩ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু সেটির অভিভাবক সংস্থা বেদান্ত রিসোর্স আবার ব্রিটেনের নথিভুক্ত সংস্থা। সেটি আবার ঋণগ্রস্ত। সম্মিলিত ঋণের পরিমাণ ৭৪ হাজার কোটি টাকা স্পর্শ করেছে। বেদান্ত লিমিটেডের পক্ষ থেকে প্রায়ই রয়্যালটি বাবদ বেদান্ত রিসোর্সকে চড়া অর্থ দেওয়া হয়ে থাকে। সেই অর্থ দিতে গিয়ে ফেমা লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কংগ্রেস নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনেতের দাবি, সম্প্রতি একটি সংস্থার অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিবাদে জড়িয়েছিলেন বেদান্ত গ্রুপের চেয়ারম্যান। দেশের একটি বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। তাই ইডির হানা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ