Bartaman Logo
৬ জুন, ২০২৬

গত অর্থবর্ষে ইডির গ্রেপ্তারি ২৭ শতাংশ কমেছে, রিপোর্ট

বিরোধীদের বেকায়দায় ফেলতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর মতো সংস্থাগুলিকে কাজে লাগাচ্ছে কেন্দ্র—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই পরিস্থিতিতে ইডির বার্ষিক রিপোর্ট সামনে এল।

গত অর্থবর্ষে ইডির গ্রেপ্তারি ২৭ শতাংশ কমেছে, রিপোর্ট
  • ৩ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নয়াদিল্লি: বিরোধীদের বেকায়দায় ফেলতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর মতো সংস্থাগুলিকে কাজে লাগাচ্ছে কেন্দ্র—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই পরিস্থিতিতে ইডির বার্ষিক রিপোর্ট সামনে এল। দেখা যাচ্ছে, আর্থিক তছরুপ মামলায় গত আর্থিক বছরে (২০২৫-২৬) ইডির গ্রেপ্তারির পরিমাণ ২৭ শতাংশ কমে গিয়েছে! ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে ২১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল ইডি। সেই সংখ্যা এবার কমে হয়েছে ১৫৬। ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরেও ২৭২ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল তারা। এব্যাপারে ইডির যুক্তি, আগের তুলনায় আরও সুনির্দিষ্ট ও তথ্য-প্রমাণের উপর ভিত্তি করে তদন্ত চালিয়েছে তারা। 

Advertisement

একই সময়কালে ৮১ হাজার কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে এই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। যা এতদিনের মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া অর্থ পাচার প্রতিরোধী আইনে তল্লাশির সংখ্যাও প্রায় দ্বিগুণ করেছে তারা। ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরে মোট ২ হাজার ৮৯২টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের কাছে সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও নিজেদের লক্ষ্যমাত্রা পার করে ফেলেছে ইডি। গত আর্থিক বছরে ৩২ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করে ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে তারা।
ইডি ডিরেক্টর রাহুল নবীন জানিয়েছিলেন, সদ্যসমাপ্ত আর্থিক বছরে ১৫ হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ৮১ হাজার ৪২২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একটি আর্থিক বছরে রেকর্ড সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রসঙ্গে ইডি জানিয়েছে, অপরাধীরা যাতে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ ব্যবহার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই ছিল তাদের লক্ষ্য। শুধু সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা নয়। ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরে রেকর্ড সংখ্যক ৮১২টি চার্জশিটও জমা দিয়েছে ইডি। তার আগের আর্থিক বছরে ৪৫৭টি চার্জশিট জমা দিয়েছিল তারা।

সম্পর্কিত সংবাদ