Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

লজ্জার হারে যাত্রা শেষ ইস্ট বেঙ্গলের

লজ্জার হারে যাত্রা শেষ ইস্ট বেঙ্গলের
  • ৯ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০১
Prefer us on Google

নর্থইস্ট ইউনাইটেড- ৪                        :                                    ইস্ট বেঙ্গল- ০
(নেস্টর, আলেদাইন-২, বেমামের)

Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অ্যাওয়ে ম্যাচে শুরুটা ভালো করেও শেষরক্ষা হল না। শিলংয়ে নর্থইস্টের কাছে চার গোলে হেরে আইএসএলে দৌড় শেষ করল ইস্ট বেঙ্গল। আলেদাইনের জোড়া লক্ষ্যভেদ। এছাড়াও স্কোরশিটে নাম তোলেন নেস্টর এবং বেমামের। এই হারের ফলে ২৪ ম্যাচে ২৮ পয়েন্টেই আটকে রইল মশাল বাহিনী। সমসংখ্যক ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত তৃতীয় স্থানে নর্থইস্ট।
অ্যাওয়ে ম্যাচে এদিন ৪-৪-২ ফর্মেশনে দল সাজিয়েছিলেন সহকারী কোচ বিনো। ক্লেটন, নিশু কুমার, বিষ্ণু ও ডেভিডকে বাদ দিলে বাকিরা রিজার্ভ দলের সৈনিক। আলেদাইনদের সামনে শুরুতে কিছুটা ছন্নছাড়া দেখালেও প্রথমার্ধে প্রতিপক্ষকে গোলের দরজা খুলতে দেয়নি মশাল বাহিনী। এই পর্বে চোয়াল চাপা লড়াই করলেন জোথানপুইয়ারা। কৃতিত্ব প্রাপ্য গোলরক্ষক দেবজিৎ মজুমদারেরও। দু’বার নিশ্চিত পতন রোধ করলেন তিনি। ৪০ মিনিটে ভালো সুযোগ এসেছিল ইস্ট বেঙ্গলের সামনেও। বাঁ প্রান্ত থেকে ইনসাইড কাট করে বক্সে ঢুকে বাঁক খাওয়ানো শট নেন বিষ্ণু। দুরন্ত তৎপরতায় গোলরক্ষক মিরশাদ ফিস্ট না করলে এগিয়ে যেত বিনো জর্জের দল। চার মিনিট বাদেই ক্লেটনের সাজিয়ে দেওয়া বল গোলে ঠেলতে ব্যর্থ জেসিন। কিছুক্ষণের মধ্যে সুযোগ খোয়ান ডেভিডও।
বিরতির পর তেড়েফুঁড়ে ওঠে নর্থইস্ট। আর তাতেই আলগা হল ইস্ট বেঙ্গল রক্ষণের বাঁধন। ৫৯ মিনিটে লং বল ধরে ব্যাকহিলে থনডনবাকে পাঠান আলেদাইন। তাঁর মাপা সেন্টারে লক্ষ্যভেদ নেস্টরের (১-০)। গোল হজমের পরেই কেঁপে যায় লাল-হলুদ ডিফেন্স। নিশু কুমারদের অসহায়তা কাজে লাগিয়ে একের পর এক আক্রমণ আছড়ে ফেলে নর্থইস্ট। ৬৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করেন আলেদাইন। বাঁ প্রান্ত থেকে ভেসে আসা সেন্টারে হেড করেছিলেন রবিন যাদব। বল তাঁর হাতে লাগলেও রেফারির দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। চাপড় মেরে দেবজিৎ প্রাথমিকভাবে তা ঠেকালেও পুরোপুরি বিপন্মুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বল জালে জড়ান মরক্কান উইঙ্গার আলেদাইন (২-০)। এরপর ৭৯ মিনিটে রেফারির দাক্ষিণ্যেই ফের জাল কাঁপায় পাহাড়ি দলটি। এক্ষেত্রে বক্সে আলেদাইনের পায়ে থাকা বল ট্যাকল করেন তন্ময়। তবে অজ্ঞাত কারণেই রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পটকিক থেকে লক্ষ্যভেদে ভুল করেননি মরশুমের শীর্ষ গোলদাতা (৩-০)। ঝটকার এখানেই শেষ নয়। ৮৩ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তন্ময়। সেই সুযোগে ৮৬ মিনিটে ইস্ট বেঙ্গলের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন মহম্মদ আলি বেমামের (৪-০)।
ইস্ট বেঙ্গল: দেবজিৎ, সুমন, মার্ক, চাকু, নীশু, বিষ্ণু (সায়ন), তন্ময়, ক্লেটন, হীরা (আনন্ধু), জেসিন (রোশাল) ও ডেভিড।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ