নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিপিন সিং, নাওরেম মহেশ, জিকসন সিং। ভারতীয় ফুটবলে অভিজ্ঞ ও পরিচিত নাম। রয়েছেন মিগুয়েল, এজেজ্জারি, ক্রেসপোর মতো বিদেশি পেশাদার ফুটবলার। খেলাই তাঁদের রুজি-রুটির আধার। কোচ অস্কার ব্রুজোঁ জানেন, এঁদেরকে ফুটবলের অ, আ, ক, খ শেখাতে হবে না। তাঁর কাজ, ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস জোগানো। আর সঠিক গেমপ্ল্যান বাতলে দেওয়া। তাই দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া অবস্থায় রীতিমতো আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছেন ইস্ট বেঙ্গলের স্প্যানিশ কোচ। মাঠ এবং ড্রেসিং-রুম সর্বত্রই রীতিমতো তৎপর দেখাচ্ছে তাঁকে। মুম্বইয়ের কাছে মোহন বাগানের হাতে অস্কারের চোখ চকচকে। কিন্তু ফায়দা তুলতে গেলে জিততে হবে। শেষ ৩ ম্যাচে জয়হীন ইস্ট বেঙ্গল। সোমবার মহমেডান স্পোর্টিংকে হারাতে পারলে কিছুটা অক্সিজেন পাবেন মিগুয়েলরা।
এক দিনের বিশ্রামের পর শনিবার মিনি ডার্বির প্রস্তুতিতে নেমে পড়ল ইস্ট বেঙ্গল। এদিন যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর মাঠে নামলেন মিগুয়েল, রাশিদরা। বিলম্বের কারণ? ড্রেসিং-রুমেই দীর্ঘক্ষণ ক্লাস নিলেন কোচ ব্রুজোঁ। সোমবার মহমেডান স্পোর্টিংয়ের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট ঝুলিতে ভরার নীল নক্সা সেখানেই তৈরি করে নিলেন অস্কার। এরপর প্রায় আধ ঘণ্টার ম্যাচ সিচুয়েশন প্র্যাকটিস। মূলত উইং থেকে আক্রমণ গড়ে তোলার রণকৌশলে শান দিলেন স্প্যানিশ কোচ। এদিনের অনুশীলনে মিগুয়েলকে বাঁ প্রান্তে ব্যবহার করলেন তিনি। মাঝমাঠে ক্রেসপো ও রশিদের উপর ভার ছিল ব্রাজিলিয়ানকে বল সাপ্লাই দেওয়ার। আর সেই বল মিগুয়েল সাজিয়ে দিচ্ছিলেন আপ ফ্রন্টের জোড়া ফলা এজেজ্জারি, ডেভিডকে। আসলে মহমেডানের বিরুদ্ধে শুরুতেই গোল তুলে নিজেদের উপর থেকে চাপটা সরিয়ে ফেলতে মরিয়া অস্কার ব্রুজোঁ। লেফট উইং-ব্যাকে বিষ্ণুর জায়গায় ফিরতে পারেন জয় গুপ্তা।