Bartaman Logo
২২ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

উইং-প্লে’তে জোর দিচ্ছেন ইস্ট বেঙ্গল কোচ হাবাস

ময়দানের পড়ন্ত বিকেলে যুদ্ধকালীন তৎপরতা ইস্ট বেঙ্গলে! প্র্যাকটিস শুরুর আধঘণ্টা আগেই মাঠে পায়চারি করছেন আন্তোনিও হাবাস।

উইং-প্লে’তে জোর দিচ্ছেন ইস্ট বেঙ্গল কোচ হাবাস
  • ২২ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সৌগত গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: ময়দানের পড়ন্ত বিকেলে যুদ্ধকালীন তৎপরতা ইস্ট বেঙ্গলে! প্র্যাকটিস শুরুর আধঘণ্টা আগেই মাঠে পায়চারি করছেন আন্তোনিও হাবাস। অভিজ্ঞ স্প্যানিশ কোচ একেবারে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মার্কার কোন, অ্যাজিলিটি ল্যাডার, হার্ডল সাজাচ্ছেন। তারপর আনোয়ার, এডমুন্ডরা একে একে প্রবেশ করে হাত মেলালেন হাবাসের সঙ্গে। কোচের মুখে তখন চওড়া হাসি, কিন্তু দু’চোখে প্রতিশোধের আগুন! চলতি ডুরান্ডেই প্রথমবার ডার্বিতে হারের স্বাদ পেয়েছেন তিনি। রবিবার ফাইনালে তার বদলা নিতে মরিয়া স্প্যানিশ হেডমাস্টার। এদিন অনুশীলনেও সেই তাগিদ চোখে পড়ল। দু’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বাগান বধের মহড়া চলল ইস্ট বেঙ্গল মাঠে।

Advertisement

রবিবার বিকেল ৫টায় যুবভারতীতে মেগা ফাইনাল। সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে এদিনও পড়ন্ত বিকেলে অনুশীলনে রেখেছিলেন হাবাস। ওয়ার্মআপের পর পাসিং ফুটবলে জোর দিলেন রামিরেজরা। তারপর লম্বা বাঁশি বাজিয়ে ছেলেদের মাঝমাঠে ডেকে নিলেন হেডমাস্টার। আনোয়ার, ডেভিডদের দুটো দলে ভাগ করে চলল সিচুয়েশন প্র্যাকটিস। উইং-প্লে’তে জোর দিলেন বিপিন সিংরা। ভুল হলেই দৌড়ে গিয়ে তা শুধরে দিতে দেখা গেল স্প্যানিশ কোচকে। দুই উইং থেকে একের পর এক ভেসে আসা ক্রস থেকে জাল কাঁপালেন এডমুন্ড, রামিরেজরা। ডামি রান, অফ দ্য বল মুভমেন্টেরও পাঠ দিলেন ছেলেদের। শেষে চলল সেটপিসের মহড়াও। তবে এদিন পেনাল্টি শ্যুট-আউটের অনুশীলন হয়নি। যা ইঙ্গিত তাতে ডার্বিতে ৪-৪-১-১ ফর্মেশনে দল সাজাবেন হাবাস। তেকাঠির নীচে গিল। দুই সেন্টার-ব্যাক আনোয়ার ও লালচুংনুঙ্গা। গত কয়েকটি ম্যাচে প্রতিপক্ষকে পেনাল্টি উপহার দেওয়া সন্দীপ মান্ডিকে লেফট ব্যাকে খেলাতে পারেন। আর রাইট উইং ব্যাকে হার্দিক ভাট। মাঝমাঠে রশিদের সঙ্গে জুটি বাঁধতে পারেন জিকসন। লেফট ও রাইট মিডিওর ভূমিকায় জয় এবং বিপিন। আর আপফ্রন্টে রামিরেজের সঙ্গে এডমুন্ড। আসলে প্রতিপক্ষ মোহন বাগানকে হাতের তালুর মতো চেনেন হাবাস। প্রাক্তন ক্লাবের বিরুদ্ধে রক্ষণ জমাট রেখে প্রতি-আক্রমণে গোল তুলে নেওয়াই লক্ষ্য থাকবে তাঁর। মাঠ থেকে বেরনোর সময় হাবাস বলেও গেলেন ‘এবার ডার্বি আমরাই জিতব।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ