নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: বৃষ্টির পরিমাণ কমে এলেও, ডিভিসি’র ছাড়া জলে দক্ষিণবঙ্গের নতুন নতুন অংশ প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এই আবর্তে আজ, শুক্রবার ভোরে ডিভিসি’র ছাড়া জল দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া, হাওড়া, হুগলির মতো জেলার নীচু অংশকে প্লাবিত করবে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে যাবতীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আমতা, উদয়নারায়ণপুর, আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট, সোনামুখীর নদী তীরবর্তী অংশের বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়েছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রীর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যেই হুগলির খানাকুল সহ দুটি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে অ্যান্টি ভেনাম সিরাম মজুত রাখা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে এসডিআরএফ এবং এনডিআরএফ জওয়ানদের। কোপাই নদীর জলে প্লাবিত হয়েছে সতীপীঠ কঙ্কালিতলা মন্দির। জলমগ্ন বোলপুর পুরসভা এবং লাগোয়া গ্রামীণ এলাকার বিস্তীর্ণ অংশ। নাগাড়ে বৃষ্টিতে ফুলেফেঁপে ওঠা হিংলা নদীর পাড়ে থাকা দুবরাজপুরের লোবা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ অংশ ভাঙনের কবলে পড়েছে। এই পঞ্চায়েতের পলাশডাঙা ও দেবীপুর চর এলাকার ১৮টি বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। বিপর্যস্ত বাসিন্দাদের স্থানীয় জোপলাই হাইস্কুলের অস্থায়ী শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাওড়া-হুগলি জেলার ৩৬০ জন বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে।



