Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রবীণ নাগরিক, অশক্তদের জন্য এবার ‘দুর্গা রথ’

ঢাকের বাদ্যির সুরও কি করুণ হয়? ঝাঁকে ঝাঁকে বৃষ্টি। তার মাঝেই পেঁজা তুলোর মতো মেঘের ফাঁক গলে বেরিয়ে আসা রোদ। মণ্ডপে মায়ের আগমনি।

প্রবীণ নাগরিক, অশক্তদের জন্য এবার ‘দুর্গা রথ’
  • ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঢাকের বাদ্যির সুরও কি করুণ হয়? ঝাঁকে ঝাঁকে বৃষ্টি। তার মাঝেই পেঁজা তুলোর মতো মেঘের ফাঁক গলে বেরিয়ে আসা রোদ। মণ্ডপে মায়ের আগমনি। এরপরও সেই সুর কোথাও যেন বেসুর বাজে ওই ঘরগুলোতে। প্রবীণ, অশক্ত, একাকী ওই মানুষগুলোর ঘরে। যাঁরা পুজোর গন্ধ পেলেও ঘরের চৌকাঠ ডিঙিয়ে প্যান্ডেলের পথে যাওয়ার সুযোগ পান না। বার্ধক্য বা অসুস্থতা বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে তাঁদের দরজায়। সঙ্গে করে মণ্ডপে নিয়ে যাওয়া কেউ থাকে না। এবার আর নয়। কারণ, মা স্বয়ং এ বছর যাবেন তাঁদের দুয়ারে। কলকাতার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় এমনই এক উদ্যোগ নিয়েছেন। এ বছর তাঁর অভিনব আয়োজন, ‘দুর্গা রথ’। সেই রথেই সপরিবারে অবস্থান করবেন মা। আজ, পঞ্চমীতে সূচনার পর থেকেই ‘দশের ঘরে’ পৌঁছে যাবেন ‘দশভুজা’। ওই দুর্গা রথেই হবে বোধন, নবপত্রিকা স্থাপন, সন্ধিপুজো থেকে যাবতীয় আচার-অনুষ্ঠান। সবটাই শাস্ত্রী অনুশাসন মেনে। পাড়ায় পাড়ায়, অলিতে গলিতে পৌঁছে যাবেন মা। ভক্তরা সেখানেই সুযোগ পাবেন পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার। পুজোর পর ভোগও মিলবে। প্রতিদিন। কখনও ‘দুর্গা রথ’ পৌঁছে যাবে পঞ্চসায়র, কখনও মুকুন্দপুর, কখনও সার্ভে পার্ক, কখনও নিউ গড়িয়া। অন্তিম দিনে হবে বরণ, সিঁদুর খেলাও। হাজারো পরিবারের স্বার্থে। তাঁদেরই দরজায়। মা আসছেন। দুর্গতিনাশে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ