Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সাবেকিয়ানায় নজর কাড়ে চোপড়ার রবীন্দ্রনগর কলোনির দুর্গাপুজো

খুঁটিপুজোর মাধ্যমে শুরু হয়ে গেল চোপড়া রবীন্দ্রনগর কলোনি সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির প্রস্তুতি

সাবেকিয়ানায় নজর কাড়ে চোপড়ার রবীন্দ্রনগর কলোনির দুর্গাপুজো
  • ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুতাহার কামাল, চোপড়া: খুঁটিপুজোর মাধ্যমে শুরু হয়ে গেল চোপড়া রবীন্দ্রনগর কলোনি সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির প্রস্তুতি। থিমের জাঁকজমকের ভিড়েও সাবেকিয়ানা আর মানবসেবার বার্তা দিয়ে এই পুজো প্রতিবছরই নজর কাড়ে। গ্রামের মহিলারা যাতে নিজেদের এলাকার পুজোয় অঞ্জলি দিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই ২০০৬ সালে সঞ্জিত ভগতের বাড়ির সামনে ছোট করে এই পুজোর সূচনা হয়েছিল। দেখতে দেখতে ১৮ বছর পার করে এই পুজো এখন এলাকাবাসীর কাছে এক মিলনক্ষেত্র।  আট বছর ধরে চোপড়া পাবলিক হলের সামনে মণ্ডপ তৈরি করে উৎসবে মেতে ওঠেন রবীন্দ্রনগর কলোনির প্রায় তিন হাজার বাসিন্দা। অন্যান্য পুজোর মতো বড় বড় প্যান্ডেল, দামি প্রতিমা বা চোখধাঁধানো আলোকসজ্জার চেয়ে এই পুজো বেশি গুরুত্ব দেয় সাবেকিয়ানাকে। একচালা প্রতিমা এখানে মূল আকর্ষণ। যা দেখতে প্রতিবছর ভিড় জমান বহু মানুষ। এই পুজোর মূল উদ্দেশ্য কেবল আনন্দ নয়, বরং সমাজ ও মানবসেবার বার্তা দেওয়া। কমিটির সহ সভাপতি ফনিসচন্দ্র সিংহ জানান, পুজোয় দুঃস্থদের বস্ত্র ও ফল বিতরণ করা হয়। কমিটির সম্পাদক সুজন মণ্ডল বলেন, আমরা হাসপাতালে গিয়ে রোগীদের ফল দিই। বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের নতুন বস্ত্র উপহার দিই। নবমীতে সবার জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়। 

Advertisement

পুজো কমিটির সভাপতি সঞ্জিত ভগত মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘সরকারের আর্থিক সাহায্য আমাদের অনেকটা সুবিধা করে দিয়েছে। এর ফলে আমরা আরও ভালোভাবে পুজোর আয়োজন করতে পারছি। এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে আসল উদ্দেশ্য, তা পূরণ করতে পারছি।
সব মিলিয়ে, রবীন্দ্রনগর কলোনির এই পুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি এলাকার মানুষের একতা, সাবেকি সংস্কৃতি এবং মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, পঞ্চমীর দিন এই পুজোর উদ্বোধন করবেন চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমান। কমিটির সদস্য প্রকাশচন্দ্র সরকার জানিয়েছেন, এবার প্রথমবার দশমীর দিন মেলার আয়োজন করা হয়েছে।  খুঁটিপুজোয় পুজোকমিটির সদস্যরা।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ