Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জবরদখল ও দূষণের জেরে দুরামারি নদীর অস্তিত্ব সংকটে

এক সময়ের উত্তাল দুরামারি নদী আজ অস্তিত্বের সংকটে। বানারহাট ব্লকের শালবাড়ি–১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় দখলদারি ও দূষণের জেরে নদীটি কার্যত নর্দমায় পরিণত হয়েছে।

জবরদখল ও দূষণের জেরে দুরামারি নদীর অস্তিত্ব সংকটে
  • ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: এক সময়ের উত্তাল দুরামারি নদী আজ অস্তিত্বের সংকটে। বানারহাট ব্লকের শালবাড়ি–১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় দখলদারি ও দূষণের জেরে নদীটি কার্যত নর্দমায় পরিণত হয়েছে। নদীর দু’পাড়ে অবৈধ ঘরবাড়ি, বাজারের প্লাস্টিক ও নোংরা আবর্জনায় স্বাভাবিক জলপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে কচুরিপানার দাপটে নদীর শ্বাসরোধ হচ্ছে বলে অভিযোগ।

Advertisement

এই পরিস্থিতিতে দুরামারি নদীকে বাঁচাতে সরব হয়েছেন পরিবেশপ্রেমী সংগঠন ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা। তাঁদের দাবি, নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচের জল মিলছে না, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে কৃষিকাজে। ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েছেন কৃষকরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় দিনের পর দিন নদী দখল হলেও কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা প্রদীপ ঘোষ বলেন, নদী বাঁচানো ছাড়া পরিবেশ বাঁচানো সম্ভব নয়। কিন্তু বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই উপেক্ষিত। একই সুর শোনা যাচ্ছে কৃষকদের কণ্ঠেও। তাঁদের বক্তব্য, নদী সংস্কার হলে সেচের সমস্যা অনেকটাই মিটত। স্থানীয় ব্যবসায়ী সুবল রায়ের কথায়, নদী ঠিক হলে কৃষির সঙ্গে সঙ্গে এলাকার অর্থনীতিও উপকৃত হবে।

এই পরিস্থিতির জন্য তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত ও প্রশাসনকে দায়ী করেছে সিপিএম। দলের নেতা মানিক রায়ের দাবি, অবিলম্বে দখলদারি উচ্ছেদ ও নদী সংস্কার শুরু না হলে কৃষকদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে। যদিও শালবাড়ি–২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান নবীন রায় নদী সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁর দাবি, খুব শীঘ্রই পঞ্চায়েতের উদ্যোগে দুরামারি নদী সংস্কারের কাজ শুরু হবে। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ