নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: এখনও আবর্জনায় ঢেকে হাওড়া শহর। জঞ্জাল সমস্যা কিছুতেই মিটছে না। এবার সোমবারের মধ্যে ভ্যাট আবর্জনামুক্ত করতে এজেন্সিগুলিকে নির্দেশ দিল হাওড়া পুরসভা। পাশাপাশি বেশি পরিমাণে জঞ্জাল ফেলতে ডাম্পার ব্যবহারের সিদ্ধান্তও নিয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: এখনও আবর্জনায় ঢেকে হাওড়া শহর। জঞ্জাল সমস্যা কিছুতেই মিটছে না। এবার সোমবারের মধ্যে ভ্যাট আবর্জনামুক্ত করতে এজেন্সিগুলিকে নির্দেশ দিল হাওড়া পুরসভা। পাশাপাশি বেশি পরিমাণে জঞ্জাল ফেলতে ডাম্পার ব্যবহারের সিদ্ধান্তও নিয়েছে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এখন থেকে আবর্জনা বহন করতে ১৬ চাকার ডাম্পার ব্যবহার করতে এজেন্সিগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে পুর কর্তৃপক্ষ। একেকটি ডাম্পার প্রায় ১০ টন আবর্জনা বহন করতে পারে। হাওড়ার আবর্জনা ধাপায় নিয়ে যেতে ৫০টি বড় ডাম্পার ব্যবহার করা হবে। হাওড়া পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ডাঃ সুজয় চক্রবর্তী নিজেই বলেছেন, ‘গত তিনদিনে শহরে প্রায় এক হাজার ২০০ মেট্রিক টন আবর্জনা জমে গিয়েছে। এজেন্সিগুলিকে নির্দেশ, সোমবারের মধ্যে প্রতিটি ভ্যাট ফাঁকা করে দিতে হবে।’
হাওড়ার বেলগাছিয়ায় ভূমিধসের ঘটনার পর সেই ভাগাড়ে শহরের আবর্জনা ফেলা বন্ধ করার নির্দেশ দেয় পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। এরপর জগাছার আরুপাড়ায় সাময়িকভাবে ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি করে সেখানে আবর্জনা ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ে পিছু হটে হাওড়া পুরসভা। ঠিক হয় আবর্জনা কলকাতার ধাপায় নিয়ে যাওয়া হবে। কিন্তু গোলমাল বাধে আবর্জনার গাড়িগুলি নিয়ে। ১৬টি ওয়ার্ডের গাড়ির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে। কোনওরকমে রাস্তায় চলছে। আবর্জনা নিয়ে সেগুলি দ্বিতীয় হুগলি ব্রিজ দিয়ে ধাপা পর্যন্ত যেতে সক্ষম নয়। ফলে গত দু’দিন ধরে খুবই কম পরিমাণ আবর্জনা কর্মক্ষম গাড়িগুলির মাধ্যমে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সচল থাকা গাড়িগুলি একাধিক ওয়ার্ডের আবর্জনা সংগ্রহ করতে অনেক সময় নিয়েছে। ধাপায় জঞ্জাল ফেলে আসতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় নিয়েছে। এর পাশাপাশি জ্বালানির খরচও বেড়ে গিয়েছে। এর ফলে ব্যাহত আবর্জনা সংগ্রহ। প্রায় তিন দিন ধরে জমা আবর্জনায় শহরের ছোট-বড় ভ্যাটগুলি কার্যত ভাগাড়ে পরিণত। নিজস্ব চিত্র