Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দত্তপুকুরের খুনে ধৃত রহস্যময়ীর বাগানবাড়িই ছিল ‘সেফ হাউস’!

দত্তপুকুরের খুনে ধৃত রহস্যময়ীর বাগানবাড়িই ছিল ‘সেফ হাউস’!
  • ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: দত্তপুকুর খুন কাণ্ডের তদন্ত যত গভীরে যাচ্ছে, ততই নয়া তথ্য উঠে আসছে পুলিসের কাছে। কেবল কি ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই এই নৃশংস হত্যা, তাই নিয়ে চলছে চর্চা। এই আবহে উঠে এসেছে আরও এক ‘রহস্যময়ী’ সুফিয়া বিবির নাম। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। এই ঘটনায় মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করল দত্তপুকুর থানা। পুলিসের খাতায় মূল অভিযুক্ত ধরা পড়েছে। কিন্তু তারপরেও কেন যুবকের মুণ্ড উদ্ধার হল না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকের প্রশ্ন, তাহলে কি ধৃতরা তদন্তকে বিভ্রান্ত করছে?
Advertisement
তদন্তকারীদের সুত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার হজরত লস্কর দুপুরে পরিচিতের ফোন পেয়ে গাইঘাটা থেকে বিকালে আসে দত্তপুকুরে। দীর্ঘ সময় হজরতকে রাখা হয় বাগান বাড়িতে। পুলিস তদন্তে জানতে পারে, ধৃত ওবাইদুল ও তার সঙ্গীরা সুফিয়ার বাড়িকে ‘সেফ হাউস’ বানায়। কারণ, সুফিয়া ছিল ওবাইদুল ও হজরতের পূর্ব পরিচিত। সুফিয়ার বাড়ি অকুস্থল থেকে মেরে কেটে ৪০০ মিটার দূরে। চার বছর আগে সুফিয়ার স্বামী মারা যায়। দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর সঙ্গে হজরতের বন্ধুত্বের সম্পর্ক। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুফিয়ারা ভাড়াবাড়িতে থাকত। রাতে সে পরিচিতর একটি বাগান বাড়িতে থাকত। খুনের আগে সুফিয়ার বাগান বাড়ি হয়ে উঠে ‘সেফ হাউস’! এদিন ওই বাগান বাড়ি থেকে একটি ধারালো বঁটি, কাস্তে ও পোড়া জামাকাপড় সহ মাথার চুল উদ্ধার হয়েছে। 
এ প্রসঙ্গে বাগান বাড়ির মালিকের পরিবারের সদস্য শাহানারা বিবি বলেন, সুফিয়াদের বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় আমাদের বাগান বাড়িতে থাকত। দিনের বেলায় ওদের বাড়িতে থাকলেও রাতে বাগান বাড়িতে থাকত। এ প্রসঙ্গে বারাসত পুলিস জেলার সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খড়িয়া বলেন, ওই দিন সুফিয়ার স্বামীর সঙ্গে হজরতের ফোনে কথা হয়। সুফিয়াকে জেরা করে অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। স্বামীর অবস্থান নিয়ে নানা ধরনের কথা বলছে সে। ধৃতদের জেরা করে খুনের সঙ্গে বাকিদের গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি কাটা মাথা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে, বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল ধৃত ওবাইদুল ও মৃত হজরত। তারা ক্রাইম পার্টনার বলেই পরিচিত ছিল। বছরখানেক আগে হজরত এই পেশা থেকে সরে এসে পুলিসের ‘সোর্স’ হয়ে ওঠে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ছিনতাই সহ ডাকাতি করত দু’জন। কয়েকবার পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে জেলও খেটেছিল তারা। তবে, হুগলিতে এক পুলিসের পরামর্শে সমাজের মূল স্রোতে ফেরার চেষ্টা করছিল হজরত। তারপর থেকেই হজরত পুলিসের ‘সোর্স’ হিসেবে কাজ করত। একাধিক অপরাধের 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ