নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: নৈহাটির তৃণমূল কর্মী খুনের পর বারাকপুরের পুলিস কমিশনার হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছে অজয় ঠাকুরকে। যিনি এই কমিশনারেটের গোয়েন্দা প্রধান এবং পরবর্তীকালে কয়েক মাসের জন্য কমিশনার হয়েছিলেন। শনিবার রাতে চার্জ নিয়েই নৈহাটি গিয়েছিলেন অজয়। গভীর রাত পর্যন্ত বৈঠক করেন। সোমবার বারাকপুর পুলিস কমিশনারেটের ডি সি নর্থ ডিভিশনের সমস্ত আইসি, এসিপি, ডিসি এবং ডিডির অফিসারদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। এই ডিভিশনের মধ্যে ভাটপাড়া, জগদ্দল, নৈহাটি, কাঁচরাপাড়া প্রভৃতি এলাকা রয়েছে।
Advertisement
বিকেলে বৈঠক করেন ডিসি সেন্ট্রাল এবং ডিসি সাউথ ডিভিশনের সব থানার আইসি, এসি এবং ডিসিদের সঙ্গে। সেখানে নবনিযুক্ত পুলিস কমিশনারের স্পষ্ট নির্দেশ, ‘শ্যুট আউট যেন না ঘটে। বারাকপুরকে ইন্সিডেন্ট ফ্রি করতে হবে।’ তাঁর দাওয়াই, আগ্নেয়াস্ত্রের খোঁজে তল্লাশি চালাতে হবে। ক্রিমিনালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজনীতির রং দেখলে চলবে না। ভিন রাজ্যের ক্রিমিনালদের আনাগোনা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় দুষ্কৃতীদের নিয়মিত থানায় হাজিরার ব্যবস্থা করতে হবে। স্পর্শকাতর এলাকা গুলিতে চালাতে হবে বিশেষ নজরদারি।
অজয় ঠাকুর তাঁর নিজস্ব স্টাইলে অতীতে ‘ক্রাইম কন্ট্রোল’ করেছেন। এবারও তিনি যে সেই পথে হাঁটতে চলেছেন তা পুলিস অফিসারদের বুঝিয়ে দিয়েছেন। এটা তাঁর চেনা মাটি, অপরাধের ধরন সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল। ২০১৯ সালে অশান্ত বারাকপুরকে শান্ত করার প্রক্রিয়ায় মনোজ ভার্মার সঙ্গে তিনি ছিলেন অন্যতম কারিগর। বৈঠকের পর তিনি বলেন, বারাকপুর মানে আতঙ্ক, বোমাবাজি, শ্যুট আউট, এই রেওয়াজ বন্ধ করতে হবে।
অজয় ঠাকুর তাঁর নিজস্ব স্টাইলে অতীতে ‘ক্রাইম কন্ট্রোল’ করেছেন। এবারও তিনি যে সেই পথে হাঁটতে চলেছেন তা পুলিস অফিসারদের বুঝিয়ে দিয়েছেন। এটা তাঁর চেনা মাটি, অপরাধের ধরন সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল। ২০১৯ সালে অশান্ত বারাকপুরকে শান্ত করার প্রক্রিয়ায় মনোজ ভার্মার সঙ্গে তিনি ছিলেন অন্যতম কারিগর। বৈঠকের পর তিনি বলেন, বারাকপুর মানে আতঙ্ক, বোমাবাজি, শ্যুট আউট, এই রেওয়াজ বন্ধ করতে হবে।



