নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বিশ্বজিৎ গোস্বামী নামে গড়িয়ার এক বাসিন্দা পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক তৈরির কারখানা করবেন বলে মনস্থির করেছিলেন। সে কাজে দূষণ সংক্রান্ত ছাড়পত্রের প্রয়োজন। তিনি তা পেতে আবেদন করেন শিল্প সাথী পোর্টালে। তাঁর সাহায্যে এগিয়ে আসে জেলা শিল্প সহায়তা কেন্দ্র। তার কয়েকদিনের মধ্যেই মিলে যায় অনুমোদন। এরপর পরবর্তী পর্যায়ের কাজ শুরু করেন বিশ্বজিৎবাবু। এছাড়া মগরাহাটের ইমরান আহমেদ নামে এক ব্যক্তি জলের কারখানা করার জন্য আবেদন করেছিলেন। তিনিও সহায়তা কেন্দ্রের তৎপরতায় ছাড়পত্র পেয়ে যান। তিনি বলেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় অনুমতি পেয়ে গিয়েছি। এবার ঋণ পেতে আবেদন করব।’
Advertisement
বিশ্বজিৎ বা ইমরানের মতো এরকম বহু ছোট ও মাঝারি উদ্যোগপতি এভাবে উপকৃত হয়েছেন। জেলার শিল্প সহায়তা কেন্দ্রের তৎপরতার কারণে একাধিক অফিসে ঘুরতে হয়নি তাঁদের। বর্তমানে ছোট ও মাঝারি কারখানা করে জীবিকা নির্বাহ করতে অনেকেই এখন আগ্রহ দেখাচ্ছেন। কিন্তু কাজ শুরু করার আগে সরকারি ছাড়পত্রের প্রয়োজন।
আগে সে কাজের জন্য বিভিন্ন অফিস ঘুরে ঘুরে অনুমোদন জোগাড় করতে হতো। তবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দপ্তরের শিল্প সহায়তা কেন্দ্রের সাহায্যে গত এক বছরে কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় প্রায় এক হাজার ১০০ উদ্যোগপতি কারখানা তৈরির ছাড়পত্র পেয়েছেন। আরও অনেকে আবেদন জানিয়েছেন। তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। আধিকারিকরা বলেন, রুজি রুটির জন্য মানুষকে আর ঘুরতে হবে না। তাই কারখানা শুরুর আবেদন এলে এই সহায়তা কেন্দ্র থেকে সাহায্য করা হয়েছে। দ্রুত যাচাই প্রক্রিয়া শেষ করে যোগ্য আবেদনকারীকে অনুমোদন দেওয়ার কাজ হচ্ছে।
আগে সে কাজের জন্য বিভিন্ন অফিস ঘুরে ঘুরে অনুমোদন জোগাড় করতে হতো। তবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দপ্তরের শিল্প সহায়তা কেন্দ্রের সাহায্যে গত এক বছরে কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় প্রায় এক হাজার ১০০ উদ্যোগপতি কারখানা তৈরির ছাড়পত্র পেয়েছেন। আরও অনেকে আবেদন জানিয়েছেন। তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। আধিকারিকরা বলেন, রুজি রুটির জন্য মানুষকে আর ঘুরতে হবে না। তাই কারখানা শুরুর আবেদন এলে এই সহায়তা কেন্দ্র থেকে সাহায্য করা হয়েছে। দ্রুত যাচাই প্রক্রিয়া শেষ করে যোগ্য আবেদনকারীকে অনুমোদন দেওয়ার কাজ হচ্ছে।



