নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: এক বছরের মাথায় ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক ঘিরে তোড়জোড় শুরু মুর্শিদাবাদে। চলতি মাসের শেষে কিংবা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেই জেলা সফরে আসতে পারেন তিনি। নবাবি মুলুকে প্রশাসনিক বৈঠক এবং সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠান হবে বলেই জানা গিয়েছে। গত বছরও ৩১ জানুয়ারি বহরমপুর স্টেডিয়ামে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেদিন তিনি জেলার উপভোক্তাদের হাতে নানা সরকারি সুযোগ সুবিধা এবং পরিষেবা তুলে দেন। তবে এ বছর জেলার সদর শহরে প্রশাসনিক বৈঠক না করে পাশের ইতিহাস সমৃদ্ধ লালবাগ শহরে এই বৈঠক করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। হাজারদুয়ারির আশপাশের কোনও বড় মাঠকেই এই প্রশাসনিক বৈঠকের জন্য বাছা হবে বলেই জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সভার স্থান নির্ধারণ করার জন্য ইতিমধ্যেই লালবাগের বিভিন্ন মাঠ পরিদর্শন করেছেন জেলার শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
Advertisement
মুখ্যমন্ত্রীর সফরের দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত না হলেও জেলা প্রশাসন এই সফর ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করেছে। মুর্শিদাবাদ জেলার দু’টি তৃণমূল সাংগঠনিক জেলার তরফেও তৃণমূল নেত্রীর এই সফর ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা এবং জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলার শীর্ষ নেতৃত্বের একটি ভার্চুয়াল বৈঠক হয়েছে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর সফর নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।
লোকসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম জেলা সফরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক বৈঠক হলেও তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বদের মধ্যে উন্মাদনা বাড়ছে। কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসার অফিসিয়াল খবর আমার কাছে নেই। তবে উনি যেদিনই আসুন তাঁকে স্বাগত জানাতে মুখিয়ে আছে মুর্শিদাবাদের মানুষ।
জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলার এক নেতা বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই তিনি এই জেলায় সফর করবেন বলে আমরা জানতে পারছি। যেহেতু এটি প্রশাসনিক বৈঠক এবং সরকারি পরিষেবা প্রদানের অনুষ্ঠান, তাই জেলা প্রশাসন মুখ্যমন্ত্রীর সফরের সমস্ত সূচি নির্ধারণ করবে। কোন জায়গায় এই বৈঠক হবে সেটা স্থির করার কাজ চলছে বলেই জেনেছি। তবে জেলা প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর সফরের প্রাথমিক পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে। এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। প্রশাসনিক সভার জন্য এমন স্থান দেখা হচ্ছে যার আশেপাশে আরও দু’-তিনটি ফাঁকা জায়গা পাওয়া যায়। সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্নে ঢোকা এবং বেরনোর জায়গার পাশাপাশি প্রচুর গাড়ি রাখার জায়গাও দরকার হয়। সেই জন্য মূল অনুষ্ঠানস্থলের খুব কাছেই আরও দু’টি ফাঁকা জায়গা দরকার। তেমন মাঠ খোঁজার কাজ চলছে।
লোকসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম জেলা সফরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক বৈঠক হলেও তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বদের মধ্যে উন্মাদনা বাড়ছে। কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসার অফিসিয়াল খবর আমার কাছে নেই। তবে উনি যেদিনই আসুন তাঁকে স্বাগত জানাতে মুখিয়ে আছে মুর্শিদাবাদের মানুষ।
জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলার এক নেতা বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই তিনি এই জেলায় সফর করবেন বলে আমরা জানতে পারছি। যেহেতু এটি প্রশাসনিক বৈঠক এবং সরকারি পরিষেবা প্রদানের অনুষ্ঠান, তাই জেলা প্রশাসন মুখ্যমন্ত্রীর সফরের সমস্ত সূচি নির্ধারণ করবে। কোন জায়গায় এই বৈঠক হবে সেটা স্থির করার কাজ চলছে বলেই জেনেছি। তবে জেলা প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর সফরের প্রাথমিক পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে। এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। প্রশাসনিক সভার জন্য এমন স্থান দেখা হচ্ছে যার আশেপাশে আরও দু’-তিনটি ফাঁকা জায়গা পাওয়া যায়। সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্নে ঢোকা এবং বেরনোর জায়গার পাশাপাশি প্রচুর গাড়ি রাখার জায়গাও দরকার হয়। সেই জন্য মূল অনুষ্ঠানস্থলের খুব কাছেই আরও দু’টি ফাঁকা জায়গা দরকার। তেমন মাঠ খোঁজার কাজ চলছে।



