মুম্বই: দুই দশক অতিক্রান্ত। ঠিক ২১ বছর আগে অ্যাডিলেড ওভালে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। দ্বিতীয় ইনিংসেও অপরাজিত থেকে জিতিয়ে ছিলেন দলকে। ২৩৩ ও ৭২ নট আউট— স্মরণীয় ওই জয়ের কাণ্ডারি দ্রাবিড়ই। তবে ২০০৩-০৪ মরশুমের সেই সফরে সিরিজ জিততে পারেনি সৌরভ গাঙ্গুলির দল। ১-১ ড্র হয় সিরিজ। সেই আক্ষেপ এখনও যায়নি দ্রাবিড়ের। তিনি বলেছেন, ‘আমার কিংবা দলের পারফরম্যান্স যত ভালোই হোক না কেন, সেবার সিরিজ অধরাই ছিল। জেতার কাছাকাছি পৌঁছেও লক্ষ্যপূরণ হয়নি। সিডনি টেস্টের শেষদিনে অস্ট্রেলিয়াকে অল আউট করতে পারিনি আমরা। তবে গত দু’বার অস্ট্রেলিয়ায় এসে ভারতীয় দল টেস্ট সিরিজ জিতেছে। এটা অসাধারণ সাফল্য। কীর্তি হিসেবে দুর্ধর্ষ। ডনের দেশে সাম্প্রতিক সাফল্যের নিরিখে এবারও টিম ইন্ডিয়ার পক্ষে থাকছে আমার ভোট।’
Advertisement
২০০৩-০৪ মরশুমে অ্যাডিলেড টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার ৫৫৬ রানের জবাবে একসময় ৮৫ রানে চার উইকেট পড়ে গিয়েছিল ভারতের। সেই পরিস্থিতি থেকে ভিভিএস লক্ষ্মণের সঙ্গে জুটিতে দ্রাবিড়ই হয়ে ওঠেন ত্রাণকর্তা। স্মৃতিচারণের ভঙ্গিতে তাঁর মন্তব্য, ‘ক্যাপ্টেন সৌরভ রান আউট হয়েছিল আমারই ভুলে। তখনই ঠিক করেছিলাম যে, দারুণ কিছু করতেই হবে। চেষ্টা ছিল দাঁত কামড়ে ক্রিজে পড়ে থাকা। লক্ষ্মণের সঙ্গে আগেও আমি বড় জুটি গড়েছি। ২০০১ সালে কলকাতায় ইডেন টেস্ট ছাড়াও একবার পশ্চিমাঞ্চলের বিরুদ্ধে দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে লম্বা পার্টনারশিপ ছিল আমাদের। ওর সঙ্গে ব্যাটিংয়ের মজাই আলাদা। অ্যাডিলেডে লক্ষ্মণ আক্রমণাত্মক মেজাজে থাকায় আমার কাজটা সহজ হয়েছিল।’
এই প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মধ্যে ঋষভ পন্থও মুগ্ধ করেছেন দ্রাবিড়কে। ২০২০-২১ মরশুমে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে মোট ২৭৪ করেন বাঁ হাতি কিপার-ব্যাটার। যার মধ্যে গাব্বা টেস্টে ম্যাচ জেতানো ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন পন্থ। দ্রাবিড়ের কথায়, ‘মহেন্দ্র সিং ধোনি খেলা ছাড়ার পর সেই শূন্যতা ভরাতে কেউ যে এত তাড়াতাড়ি উঠে আসবে, ভাবাই যায়নি। এটা বলছি না যে, এখনই ধোনিকে টপকে গিয়েছে পন্থ। তবে টেস্ট ক্রিকেটে ওর পারফরম্যান্স অবিশ্বাস্য। গাব্বায় প্রবল ধসের মুখে যাবতীয় চাপ সামলে ওই ইনিংস সত্যিই অতুলনীয়। পন্থ স্পেশ্যাল ক্রিকেটার। জলের মধ্যে হাঁস যেমন সাবলীল, টেস্টেও পন্থ ঠিক তেমনই।’
এই প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মধ্যে ঋষভ পন্থও মুগ্ধ করেছেন দ্রাবিড়কে। ২০২০-২১ মরশুমে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে মোট ২৭৪ করেন বাঁ হাতি কিপার-ব্যাটার। যার মধ্যে গাব্বা টেস্টে ম্যাচ জেতানো ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন পন্থ। দ্রাবিড়ের কথায়, ‘মহেন্দ্র সিং ধোনি খেলা ছাড়ার পর সেই শূন্যতা ভরাতে কেউ যে এত তাড়াতাড়ি উঠে আসবে, ভাবাই যায়নি। এটা বলছি না যে, এখনই ধোনিকে টপকে গিয়েছে পন্থ। তবে টেস্ট ক্রিকেটে ওর পারফরম্যান্স অবিশ্বাস্য। গাব্বায় প্রবল ধসের মুখে যাবতীয় চাপ সামলে ওই ইনিংস সত্যিই অতুলনীয়। পন্থ স্পেশ্যাল ক্রিকেটার। জলের মধ্যে হাঁস যেমন সাবলীল, টেস্টেও পন্থ ঠিক তেমনই।’



