অ্যাডিলেড: বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির দ্বিতীয় টেস্টের আগে দর্শকদের বিশৃঙ্খল আচরণে ব্যাহত হল ভারতের প্রস্তুতি। ক্রিকেটারদের উদ্দেশে অনভিপ্রেত ও কুরুচিকর মন্তব্য ছুড়ে দেন তাঁরা। এক ক্রিকেটারের ফিটনেস নিয়েও করেন কটূক্তি। আবার অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও ঋষভ পন্থকে বার বার ছক্কা মারতে বলেন তাঁরা। এমনকী তাঁদের হুড়োহুড়িতে বিরাট কোহলি ও শুভমান গিলের আহত হওয়ার আশঙ্কা জেগেছিল।
Advertisement
একদম কাছে থেকে ক্রমাগত চিৎকারের ফলে নেটে স্টান্স নেওয়ার সময় অসুবিধা হয় ব্যাটসম্যানদের। এই ঘটনায় রীতিমতো বিরক্ত ভারতীয় শিবির। অস্ট্রেলিয়ার প্র্যাকটিসের সময় যেখানে মাত্র ৭০জন ক্রিকেটপ্রেমী ছিলেন, সেখানে ভারতের নেটের সময় হাজিরার সংখ্যা ছিল তিন হাজার। এই নিয়ে বিসিসিআই কথা বলে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত ভারতের প্র্যাকটিস সেশন থেকে দর্শকদের বের করে দেওয়া হয়। ঠিক হয়েছে যে, চলতি বর্ডার-গাভাসকর ট্রফি চলাকালীন টিম ইন্ডিয়ার কোনও নেট সেশনেই দর্শকরা থাকতে পারবেন না।
এদিকে, অ্যাডিলেড ওভালের কিউরেটর ড্যামিয়েন হাউঘ মনে করছেন যে, এই টেস্টে স্পিনারদের জন্যও মজুত থাকবে সাহায্য। তাঁর কথায়, ‘এখানে ফ্লাডলাইটের আলোয় টেস্টে ব্যাট করা কঠিন। পিচে ৬ মিলিমিটার ঘাসও রয়েছে। যতটা সম্ভব পেস ও বাউন্স রাখতে চেয়েছি আমরা। পাশাপাশি এখানে স্পিনারদের বড় ভূমিকা থাকেই। এই টেস্টেও খেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে স্পিনাররা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।’
এদিকে, অ্যাডিলেড ওভালের কিউরেটর ড্যামিয়েন হাউঘ মনে করছেন যে, এই টেস্টে স্পিনারদের জন্যও মজুত থাকবে সাহায্য। তাঁর কথায়, ‘এখানে ফ্লাডলাইটের আলোয় টেস্টে ব্যাট করা কঠিন। পিচে ৬ মিলিমিটার ঘাসও রয়েছে। যতটা সম্ভব পেস ও বাউন্স রাখতে চেয়েছি আমরা। পাশাপাশি এখানে স্পিনারদের বড় ভূমিকা থাকেই। এই টেস্টেও খেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে স্পিনাররা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।’



